বুক জ্বালাপোড়া বা গলা বুক জ্বলা একটি পরিচিত সমস্যা। প্রায় সব মানুষই এই উপসর্গে কষ্ট পান। প্রাথমিকভাবে বুক জ্বালাপোড়া বড় শারীরিক সমস্যা না হলেও দীর্ঘমেয়াদে তা চিন্তার কারণ অবশ্যই। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা থাকলে কিছুটা উদ্বেগ তো থাকবেই।
কেন হয় বুক জ্বালাপোড়া?
বুক জ্বালাপোড়ার অনেক কারণ আছে। তারমধ্যে কিছু সাধারণ কারণ হলো -
- খাদ্যনালি ও পাকস্থলীর সংযোগস্থল ঢিলে হয়ে গেলে কিংবা তার স্বাভাবিক সংকোচনের ক্ষমতা হ্রাস পেলে।
- পাকস্থলীর হায়াটাসের হার্নিয়া হলে
- অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির কারণে
- গর্ভাবস্থায় বা শারীরিক স্থূলতার কারণে
- ক্ষেত্রবিশেষে খাদ্যনালির চলাচল স্বাভাবিকের থেকে ধীর হলে
এক্ষেত্রে কি সমস্যা হতে পারে?
- অনেক সময় খাদ্যনালি ও পাকস্থলীর সংযোগস্থলে ঘা হতে পারে
- খাদ্যনালির নিচের অংশ চেপে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
- রক্তশূণ্যতা দেখা দিতে পারে
- ব্যারেটস ইসোফেজাইটিস থেকে ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।
- রক্তশূণ্যতা দেখা দিতে পারে।
বুক জ্বালাপোড়া নিয়ন্ত্রণে কি করবেন?
- ওজন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিন।
- নিয়মিত ব্যায়াম করুন। প্রয়োজনে জিমে ভর্তি হন।
- ধূমপান, মদ্যপান কিংবা অন্যান্য অভ্যাস পরিত্যাগ করুন।
- তিন বেলা নিয়ম করে খাবার খেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে খাবার খাওয়ার সময় যেন অতিরিক্ত পানি পান করা না হয়। মূল খাবারের অন্তত দেড় ঘণ্টা আগে কিংবা পরে পানি পান করুন।
- একবারে ২০০ মিলি লিটারের বেশি পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়।
- ভরপেট খাবার খাওয়া উচিত নয়। অন্তত এক-তৃতীয়াংশ সবসময় খালি রাখা উচিত।
- রাতের খাবার খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর ঘুমুতে যান।
- দুধ, চা, কোমল পানীয়, মসুর ডাল, দুধ, চকলেট খেলে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা বাড়ে। তাই এসব খাবার কমিয়ে দেওয়া উচিত।