ভালো কিছুর খোঁজে সাকিব

আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ। তার আগে অংশগ্রহণকারী ১৬টি দলের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করছে আইসিসি। গতকাল ওপেনিং জুটির র‍্যাংকিং প্রকাশ করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। যেখানে ১৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫ তে। পেছনে শুধু নামিবিয়া।  অথচ সরাসরি সুপার টুয়েলভ  থেকেই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবেন টাইগাররা।

ওপেনিং নিয়ে বাংলাদেশের রোগটা পুরোনোই বলা যায়। গত এশিয়া কাপে মেকশিফট ওপেনার বানানো হয় সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজকে।  তারাও প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থই বলা যায়। এখন পর্যন্ত  ৫ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। টি-২০ স্বভাবসুলভ যে ব্যাটিং তার দেখা মেলেনি  দুজনের কারো ভেতরই। জুটি বেঁধে হোক কিংবা ব্যক্তিগত কেউই সেভাবে ফুটে উঠতে পারছেন না।

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮ উইকেটে বাজেভাবে হারের পর সেই হতাশাই ফুটে উঠেছে সাকিব আল হাসানের কণ্ঠে। বাংলাদেশ অধিনায়কের চাওয়া , ‘শীর্ষ তিন বা চার ব্যাটসম্যানের কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে এবং ১৫-১৬ ওভার পর্যন্ত ব্যাটিং করে যেতে হবে। এটাই আমরা চাই। এই মুহূর্তে তা হচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করে যাব।’

আগামীকাল সকাল ৮টায়  ক্রাইস্টচার্চে ফের নিজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই তলানিতে। তাহলে বিশ্বকাপে কী হবে? তারই জবাব দিলেন সাকিব, ‘দুটি ম্যাচেই বোলাররা বেশ ভালো করেছে এবং ফিল্ডাররাও তাদের সঙ্গ দিয়েছে। এসব আমাদের ঠিকঠাক হচ্ছে। ব্যাটিংয়ে আমাদের উন্নতি করতে হবে। আমরা কাজ করে যাব। দুটি ম্যাচ হারার পর প্রাণশক্তি ধরে রাখা কঠিন। তবে বিশ্বকাপ আছে সামনে, পরের দুটি ম্যাচ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মোমেন্টাম ধরে রাখার জন্য এই দুটি ম্যাচ খুব জরুরি। ভালো কিছু করে মোমেন্টাম নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারলে ভালো হবে।’

ক্রাইস্টচার্চে পরশু কিউইদের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৭ রানের পুঁজি গড়েন টাইগাররা। কিউই পেসার তো বটেই স্পিনারদেরও সামলে খেলতে পারেননি সাকিবের দল। একাদশে সুযোগ পেয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তা করতেও খরচ করেন ২৯ বল। আফিফ থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। সাতে নেমে সাকিবের ১৬ বলে ১৬ রানের ইনিংস বেশ অবাকই করেছে। তার ডেপুটি নুরুল হাসান সোহান ১২বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় করেন ২৫ রান। সহজ লক্ষ্য ১৩ বল হাতে রেখেই পাড়ি দেন কিউইরা। ৭০ রানে অপরাজিত ছিলেন ডেভন কনওয়ে। তবে ম্যাচ-সেরা হন ১৪ রানে ২ উইকেট নেওয়া স্পিন অলরাউন্ডার মাইকেল ব্রেসওয়েল। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।