পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স নতুন যাত্রা শুরু করলেও, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভালো সাফল্য অর্জন করেছে। যথাযথ আইন মেনে অর্থনৈতিক সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারলে আগামীতে প্রতিষ্ঠানটি এ খাতের রোল মডেল হতে পারে বলেও অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।
শনিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের ১০০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক অর্জন উপলক্ষে আয়োজিত ডিনার পার্টিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন অভিমত প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু ইন্সুরেন্স কোম্পানির কারণে এ খাতের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সকে সেই হারানো সুনাম ফিরিয়ে আনার জন্য আইন মেনে কাজ করতে হবে। দেশীয় ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলো ঠিকমতো কাজ না করলে এ খাতটি বড় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে চলে যেতে পারে, যা দেশের জন্য কাম্য নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি ও আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের চেয়ারম্যান আলমগীর শামসুল আলামিন (কাজল)।
শামসুল আলামিন বলেন, সব নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা পরিচালনা আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজমেন্টকে নির্দেশ দিয়েছি। আমরা যথাযথভাবে নিয়মনীতি মানা ছাড়া কোনো ব্যবসা করবো না।
আলফা লাইফ ইন্সুরেন্স আইনের বাইরে একবিন্দু যাবে না। সততা ও দক্ষতার কারণেই মাত্র ৯ মাসে ১০০ কোটি টাকা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য কামরুল হাসান (লাইফ) ও মো. নজরুল ইসলাম (নন-লাইফ) তাদের বক্তব্যে বিমাখাতের নানান দিক তুলে ধরেন।
কামরুল হাসান বলেন, আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গ্রাহকদের কোনো অভিযোগ পাইনি। সাতদিনের মৃত্যু দাবির পেমেন্ট আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স দ্রুত পরিশোধ করছে, যা প্রশংসার দাবিদার। প্রতিষ্ঠানটি যেভাবে আইন মেনে এগোচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।
অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের ১ হাজার ৪০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। এ সময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে আলম ছিদ্দিকী অভি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন।