ওয়াসু মার্ট-এ নির্ভেজাল পণ্যের সমাহার 

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৩, ১৯:২৩

ওয়াসু মার্ট, নিজের একমাত্র আদরের মেয়ে ওয়াসেনাতের নামে নামকরণ করে রাখা হয়েছে এই নামটি। তার বাবা মো. জয়নাল আবেদীন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে এই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি। মূলত নির্ভেজাল পণ্য, জুয়েলারি এবং বিভিন্ন গার্মেন্টস শিল্প পৌঁছে দেওয়াই এদের অন্যতম কাজ। 

সচরাচর অনেক বেশি কসমেটিকস ব্র্যান্ড চোখে পড়লেও নির্ভেজাল ও ভালো মানের খুব কম জিনিসই মানুষের হাতে পৌছাচ্ছে। মানুষ চায় ভালো জিনিসটা সবসময় কিন্তু প্রায়শই দেখা যায় অল্প টাকার লোভ দেখিয়ে ত্বক ও শরীরের জন্য বাজে জিনিস ধরিয়ে লাভ করে যাচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু ওয়াসু মার্ট সম্পূর্ণ তার ভিন্ন। নির্ভেজাল পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের ত্বক, চুল ইত্যাদি ভালো রাখার দায়িত্ব যেন নিয়েছে ওয়াসু মার্ট। 

কসমেটিকস পণ্য ছাড়াও গার্মেন্টস জিনিসপত্র, জুয়েলারি এসকল কিছুও যাচ্ছে নানা মানুষের হাতে। কিছু কিছু পণ্য যেগুলো বাইরের দেশ থেকে ইমপোর্ট করা হয় সেসব পণ্যগুলোর অথেনটিক মান চেক করে আনা হয়। ভালো এবং কার্যকরী পণ্য দিয়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ওয়াসু মার্ট খুব দ্রুতই। ত্বক ও শরীরের ভালো থাকা একজন মানুষের বাহ্যিক ভালো থাকাকে অনেক সাহায্য করে, সেক্ষেত্রে ভালো ও সুন্দর ত্বক অবশ্যই প্রয়োজন। মুখ থেকে শুরু করে শরীরের জন্য ভালো ও উন্নত মানের বডি ক্রিম, থানাকা ফেস প্যাক, রাইস সিরাম সহ আরও নানা প্রডাক্ট রয়েছে যার প্রতিটি অত্যন্ত ভালো মানের এবং সর্বোপরি ব্যাবহারযোগ্য। 

কসমেটিকস পণ্যের বাইরেও বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারিসহ নানা প্রকার গার্মেন্টস পণ্য তারা বিক্রি করে থাকেন। ক্রেতাদের এক ভরসাস্থলে পরিণত হওয়ায় অনেকেই নির্দ্বিধায় এখান থেকে পণ্য কিনে থাকেন এবং বিশ্বাসের মূল্য তারা ভালো প্রোডাক্টসের মাধ্যমে পেয়ে থাকেন। সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠাতাদেরই স্বপ্ন থাকে তারা নিজেদের ব্র্যান্ডকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। কিন্তু মানসম্মত জিনিসের অভাবে অনেক সময় তা হয়ে উঠে না। নির্ভেজাল ও ভালো মানের পণ্য পেতে হলে একটু যাচাই করে নিতেই হয় এবং সেক্ষেত্রে ওয়াসু মার্টের জুড়ি মেলা ভার। তারা তাদের প্রতিটি প্রোডাক্টের গুণগত মান নিয়ে আলোচনা করে থাকেন, সেই সাথে কাস্টমারদের উপহার দেন ভালো ও উন্নত জিনিস। 

ওয়াসু মার্টের স্বত্ত্বাধিকার জয়নাল আবেদীন চান তার এই ব্যবসা একদিন অনেক বড় হবে এবং দেশের বাইরেও খ্যাতি ছড়িয়ে যাবে। তাদের নিজস্ব প্রোডাকশন দ্বারা এটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডে পরিণত হবে। তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক দ্বারা খুব সুন্দরভাবে প্রতিটি কাজ পরিচালিত হয়। 

আগামীতে অনেক দূর এগিয়ে যাবে ওয়াসু মার্ট- এই প্রত্যাশাই সকলের।

ইত্তেফাক/পিও