গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে নয়ছয়

স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নয়ছয় করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম হচ্ছে। অদৃশ্য সুতার টানে ঠিকাদারদের খেয়ালখুশিমতো কাজ করার ব্যবস্থা করে দেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালকেরা। এই চিত্র সারা দেশের। এসব কাজে নানা ধরনের অভিযোগ এলেও সেগুলো ধামাচাপা পড়ে যায় তদন্তের আগেই।

সংশ্লিষ্ট মহলগুলো জানায়, গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামোসহ, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে ঠিকাদারেরা অনিয়ম করেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায়। এক প্রকল্পের টাকা অন্য প্রকল্পে সরিয়ে আবার প্রকল্প ছাড়পত্রকে নয়ছয় করে চলছে এসব কাজ। বেশ কয়েকটি রাস্তার কার্য সম্পাদন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এক প্রকল্পের টাকা অন্য প্রকল্পে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে প্রকল্প যেভাবে পাশ হয়, বাস্তবায়নের সময় তার বাজেট এবং ব্যাপ্তি বেড়ে যাচ্ছে অনুমোদন ছাড়াই। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি রাস্তার দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার হলে তা বাড়িয়ে ১৪ কিলোমিটার করা হয়। এর ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণও নেই কারো। অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে ঠিকাদারেরা এ ধরনের কাজ দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুধু কাজের ক্ষেত্রেই নয়, ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রেও নানা ধরনের অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে কাজের বিল আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রভাবশালীদের দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন করান ঠিকাদারেরা। এতে তারা বিল পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধায় থাকলেও অনেক ছোটখাটো ঠিকাদার বঞ্চিত হচ্ছেন।