বাংলাদেশের সামনে ২০৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তুলে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লে'তে ৪৭ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুকছে বাংলাদেশ।
২০৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন দুই ওপেনার সৌম্য সরাকার আর নাজমুল হোসেন শান্ত। কাগিসো রাবাদার প্রথম ওভারে থেকেই দুই টাইগার ওপেনার তুলে নেয় ১৭ রান।
দ্বিতীয় ওভারে এসে কিছুটা ক্ষান্ত দিয়ে দুই ওপেনার তুলেছেন ৯ রান। শুরুর ২ ওভার থেকেই এসেছে ২৬ রান। ২০৬ রানের টার্গেটে হয়তো প্রয়োজনও ছিলো এমন শুরুর।
তবে বিপত্তির শুরু এরপর থেকেই। এনরিখ নর্টজের করা তৃতীয় ওভারে একসঙ্গেই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনারই। ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সৌম্য। ২ ছক্কায় ৬ বলে ১৫ রান করে ফেরেন এই ওপেনার। ওভারের চতুর্থ বলে ১৪৮ কি.মি. গতিতে ভেঙে যায় আরেক ওপেনার শান্তর স্ট্যাম্প। বরাবরের মতোই ভালো শুরুর পর একসঙ্গে সাজঘরে ফেরেন টাইগারদের দুই ওপেনার।
তিনে নামা লিটন অবশ্য রানের গতি ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন, চতুর্থ ওভারে পারনেলের বলকে মাঠছাড়া করেছিলেন ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে উড়িয়ে।
পঞ্চম ওভারে এসে নর্টজের বলেই সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় বাংলাদেশ। ওভারের চতুর্থ বলে টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন নর্টজে। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি আর। ৪ বলে ১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
পাওয়ার প্লে'র শেষ ওভারে এসে আফিফ হোসেনকে তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে আরেকটি ধাক্কা দিয়েছে রাবাদা। ৫ বলে ১ রান করে মিড অফে পারনেলের হাতে ধরা পড়েন আফিফ।
২০৬ রানের বিশাল টার্গেটে উড়ন্ত সূচনার পরও পাওয়ার প্লে'র ৬ ওভারে শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ।