খেলতে গেলে চোট লাগবেই। তাই বলে থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং চোট পেলে প্রাথমিক চিকিৎসার খোঁজ করতে হবে। অনেক সময় চোট পাওয়ার পর আমরা মনোযোগ দেই না বলে আঘাত মারাত্মক আকার ধারণ করে। এমনটা করা যাবে না। অনেক পেশাদার খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারও নষ্ট হয়ে যেতে পারে সামান্য চোটে। আর সাধারণ মানুষের জন্য স্বাভাবিক জীবনে আসতে পারে নানা প্রতিবন্ধকতা। তাই চোট পাওয়ার পর কি করবেন তা নিয়ে রইল কিছু পরামর্শ:
খেলার উপযোগী ট্রেনিং
জিমে যাওয়া মানে ভারোত্তোলন না। বিজ্ঞানসম্মত প্রশিক্ষণ জরুরি। আপনি যদি শখের বশে নিয়মিত ফুটবল, ক্রিকেট খেলেন তবুও এমন প্রশিক্ষণ করা ভালো। এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ ফিটনেস বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিবেন। আর খেলার সময় নিয়মিত চোট পেলে যদি তেমন ক্ষতি না হয় তাহলে দ্রুত এমন প্রশিক্ষণের সঙ্গে পরিচিত হয়ে নিন।
মাংসপেশিতে টান
খেলার সময় আচমকা মাংসপেশিতে টান কিংবা পা মচকালে প্রথমেই জায়গাটি অবশ করে ফেলুন। আঘাতপ্রাপ্ত জায়গাটি ভালোমতো বেঁধে নিন। তারপর বরফ বা ঠাণ্ডা কিছু দিয়ে পায়ে সেঁক দিবেন। অনেকে গরম ও ঠাণ্ডা দুই ধরনের সেঁক দেন। এমনটা মোটেও ঠিক নয়।
কেটে গেলে
খেলার সময় কেটে গেলে তা প্রথমে জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করুন। ভেতরে যাতে রক্ত জমাট বেধে না যায় সেজন্য ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হবে।
মচকালে
পা মচকাতেই পারে খেলার সময়। এমনটা হলে দ্রুত কিছু দিয়ে পা বেঁধে ফেলুন। তারপর ঠাণ্ডা সেঁক দিন। ব্যথা বেশি হলে ব্যথা কমানোর ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে এক্সরে করিয়ে নেবেন। অনেক সময় পা মচকালে প্রথমে সমস্যা বোঝা যায় না। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই অপারেশনের প্রয়োজন হয়।
পোস্ট ইনজুরি রিহ্যাবিলিটেশন
স্পোর্টস ইনজুরি হলে হাড় ও মাংসপেশি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন কাজ। এজন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হয়। তাছাড়া স্পোর্টস মাসাজ এবং ব্যালেন্স ডায়েট অনুসরণ করতে হবে।