পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকাতে 'ঝুঁকছে' চীন

গত বছর চীন এবং এর বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দেশটির সরকারের করোনা লকডাউনের কঠোর নীতির কারণে রপ্তানি জ্বালানি শিল্পগুলিকে 'দুর্দশায়' ফেলতে বাধ্য করে। তখন বিশ্ব আমদানির জন্য দেশটি বাইরে আলাদা পন্থা খুঁজতে শুরু করে।   

এই নিয়ে বেইজিং এখন এক বৈচিত্র্যকরণ কৌশলের মুখোমুখি হয়েছে। যেখানে প্রধান দেশগুলো তাদের চাহিদার উৎসের জন্য চীন +১ সিস্টেমের দিকে তাকিয়ে আছে। এই কৌশল আগামী বছরগুলিতে চীনা রপ্তানিতে একটি গুরুতর ধাক্কা সামলাতে পারে।

পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা (ডব্লিউএএনএ) দেশগুলির প্রতি চীনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলি ইঙ্গিত করে, তারা এই দেশগুলির সঙ্গে বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপন করে একটি অবকাশ খুঁজছে।

অন্যদিকে, ডব্লিউএএনএ দেশগুলি অবকাঠামো, অস্ত্র সংগ্রহ, তেল অনুসন্ধান, মহাকাশ গবেষণা এবং টেকসই উন্নয়নে চীনা সমর্থন পেতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। চীনা ভাষা অধ্যয়নের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এই অঞ্চলে আরেকটি নির্দেশক।

আলজেরিয়া, মিশর, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে চীন এখানে অনেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান উৎস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই দেশগুলির সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা দীর্ঘদিন ধরে বেইজিংয়ের রাডারে রয়েছে।