রংপুর স্টেডিয়ামে নারী-ক্রিকেটাদের জন্য ন্যাপকিন বক্স স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) লাইটশোর ফাউন্ডেশন এবং সেনোরার উদ্যোগে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বর্ণনারী এসোসিয়েশন এর সভাপতি মঞ্জুশ্রী সাহা, জাতীয় কন্যা শিশু একভোকেসি ফোরামের প্রেসিডেন্ট কে এইচ ফখরুল আনাম বেঞ্জু, রংপুর গ্রুপ এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশরাফুল আলম, এবং শুভ সঙ্গ এর প্রেসিডেন্ট ইরা হক। আরো উপস্থিত ছিলেন, উইমেন্স ড্রিমার ক্রিকেট একাডেমি রংপুর এর প্রতিষ্ঠাতা আরিফা জাহান বীথি এবং লাইটশোরের প্রতিষ্ঠাতা সুলতানা রাজিয়া। এই ইভেণ্টে সার্বিক সহযোগিতা করে সেনোরা, স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ছিল জেসিআই ঢাকা এন্টারপ্রেনার।
উইমেন ড্রিমার ক্রিকেট একাডেমী এর ফাউন্ডার আরিফা জাহান বীথি বলেন, মাসিক প্রকৃতিগত ভাবে এসেছে কিন্তু এখন ও সেটি আমরা সহজ ভাবে নিতে পাচ্ছি না। আমি একদিন খেলতে গিয়েছিলাম সেখানে হঠাৎ আমার মাসিক হয়, আমার কাছে ন্যাপকিন ছিলো না আর তাই আমি বিষয় টি আমার অফিসিয়ালের কাছে জানাই। তখন সেই বিষয় টি এড়িয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় কোন ব্যাবস্থা না নিয়েই। তখনকার এই শিক্ষা তা আমাকে পরিবর্তন করিয়েছে, আর তাই আমার কাছে মনে হয় এই বিষয় নিয়ে কথা বলা ফ্যামিলি স্কুল কলেজের শিক্ষকদের জানানো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন কারে।। তারা সচেতন হলে পরিবারের সন্তান স্কুলের ছাত্রীরাও অনেক সহজেই সচেতন হবে বলে মনে করি।। লাইটশোর এবং সেনোরার এই স্যানিটারি ন্যাপকিন বক্স স্থাপনের মাধ্যমে আমাদের মেয়ে ক্রিকেটারদের জীবন অনেক সহজ হবে আশা করছি।
লাইটশোর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সুলতানা রাজিয়া বলেন, রংপুরে মেয়েদের এই ক্রিকেট একাডেমীতে এ অনন্ত ২০০ জনের বেশি মেয়ে সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে আসা, সবার জন্য ন্যাপকিন কেনাটাও ব্যায়বহুল। লাইটশোর মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ‘জয়ী প্রকল্প এর আওতায় সেনোরার সাপোর্ট এ ন্যাপকিন ডিসপেনসার বক্স বসাল যাতে প্রয়োজনে সেনিটারি ন্যাপকিন তাদের হাতের কাছে থাকে । সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য হল মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন হাতের নাগালে নিয়ে আসা এবং তাদের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।