ঘরোয়া উপাদানে প্রসাধন

যা খাচ্ছি তার প্রভাব শুধু স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে এমনটা ভাবার কারণ নেই। আপনার চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যও পুষ্টিকর খাবারের ওপর নির্ভর করে। নিজেকে ব্যস্ত রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা আর একটু স্ট্রেসমুক্ত থাকলেই হলো। সারা বছর ত্বক ও চুল থাকবে আকর্ষণীয়।

oil

তবে যারা রূপচর্চা নিয়ে ভীষণ সিরিয়াস, তারা প্রায়শই বাড়তি দামের অভিযোগে কিনতে পারেন না প্রসাধন সামগ্রী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে খরচ কমাতে হয়েছে কিছুটা। তাই বলে রূপচর্চা একেবারেই করবেন না? এমনটা হওয়া উচিত না। আপনার রান্নাঘরেই এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো রূপচর্চায় বেশ উপকারি। চলুন দেখে নেই কি কি ঘরোয়া উপাদানে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়। 

নারকেল তেল
নারকেল তেল প্রতিটি ঘরে ঘরেই পাওয়া যায়। ত্বক আর্দ্রতা বজায় রাখা, স্কিন সারফেসে লিপিড বজায় রাখা, ঠোট নরম করা সহ আরো নানা উপকারে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। এই তেল চুলের গভীরে পৌঁছে চুলকে রাখে নরম ও মসৃণ।

oil

টমেটো
টমেটোতে আছে লাইকোপিন। এই গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও মাথার তালুর পিএইচ ব্যালান্স বজায় রাখতে সাহায্য করে। হেয়ার ও ফেস প্যাকে টমেটো ব্যবহারে উপকার মিলবে। তবে যাদের ত্বক সেনসিটিভ তারা টমেটো ব্যবহারের আগে প্যাঁচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। 

আমন্ড অয়েল
আমন্ড খেতে পারলে ত্বক ও স্বাস্থ্য দুয়ের উপকার। আমন্ড তেল চুলের গোঁড়ায় আলতো করে ম্যাসাজ করে দেখুন। গোসলের পর ত্বকে লাগান। কদিনেই আপনার ত্বকের লাবণ্য ফিরে আসবে।

oil

মধু
মধুকে বলা যায় প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। লেবু-মধু-নারকেল তেলের মিশ্রণ বানিয়ে ত্বক ও চুলে লাগান। তাহলে ত্বক ও চুল ভালো থাকবে।

ওটস
আজকাল প্রতিটি বাড়িতেই ওটসের দেখা মিলে। ওটস খেলে ওজন কমে নাকি। তবে ওটস যে ত্বকের উপকারে আসে সেটাই বা কে জানে? ওটসে আছে ভিটামিন বি, বায়োটিন ও প্রোটিন। যাদের ত্বকে চুলকনির সমস্যা আছে তারা ওটস ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে ওটস মিহি গুড়ো করতে হবে। বিশেষত মাথা যাদের ঘামে অনেক এবং চুলের গোঁড়ায় বাজে গন্ধ পাওয়া যায়, তাদের মাথায় ওটসের সামান্য গুঁড়ো ছিটিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যাবে। আবার ওটমিলের গুঁড়ো সামান্য দুধে ভিজিয়ে নিন। সেটাকে সারা শরীরে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন।