বলিউড তারকাদের বয়ফ্রেন্ড বদণ যেমন একটি ট্রেন্ড, তেমনি রিইউনিয়নটাও হাল আমলের ফ্যাশন। গত বুধবার রাতে অনিল কাপুরের কন্যা রিয়ার বাড়িতে বলি তারকাদের ঢল নেমেছিল। মালাইকা অরোরাসহ অর্জুন কাপুর, খুশি কাপুর, হর্ষবর্ধন কাপুর ছাড়াও তারকাখচিত পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন কাপুর পরিবারের অনেকে। রাত্রি শেষে একে একে তারকারা বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে শুরু করেন। পাপারাজিদের ক্যামেরা ছিল সদর দরজার দিকেই তাক করা।
হঠাৎ গাড়ির সামনের আসনে দেখা গেল শ্রীদেবীর কন্যা জাহ্নবী কাপুরকে। চালকের আসনে যিনি বসেছিলেন তাকে দেখে আলোকচিত্রীদের কৌতুহল বেড়ে যায়। সেই আসনে ছিলেন জাহ্নবীর প্রাক্তন প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়া। বলিপাড়ার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নন শিখর। বরং রাজনীতির সঙ্গে ছোটবেলা থেকে পরিচিত তিনি। মুম্বাইয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার শিন্ডের নাতি তিনি।
টিনসেল নগরীতে কানাঘুষা শোনা যায় যে, জাহ্নবীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শিখর। শ্রীদেবীর কড়া নির্দেশেই নাকি অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ইতি টানতে হয়। বহু বছর পর আবার ক্যামেরার লেন্সে একসঙ্গে ধরা পড়লেন শিখর ও জাহ্নবী। প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে জাহ্নবীর ছবিসহ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে নেটিজেনদের ভেতরে। জাহ্নবীর মুখে যেন লজ্জার রেখা।
ক্যামেরার সামনে ধরা পড়ে অভিনেত্রী খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছেন বলেই মনে হল। কখনও হাত দিয়ে হালকা মুখ ঢাকছেন, কখনও বা আলোকচিত্রীদের দেখে হাসছেন। সব মিলিয়েই লুকোচুরির আভাস।
১৯৯৬ সালে মুম্বাইয়ে জন্ম শিখরের। শিখরের বাবা সঞ্জয় পাহাড়িয়া ব্যবসা করেন। তাই ছোটবেলা থেকে ব্যবসার প্রতি ঝুঁকেছিলেন শিখর। ১৩ বছর বয়সে নিজের একটি কনসালটেন্সি সংস্থা গড়ে তুলেছিলেন। তবে এসব প্রেম লুকোচুরি নিয়ে একদমই কোনো মন্তব্য করতে নারাজ জাহ্নবী।