বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব শুরু আজ

নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যদিয়ে চলছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নবম আসরের খেলা। ইতিমধ্যে ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে আট খেলা। মধ্যে দুই দিনের বিরতি দিয়ে আজ ১৩ জানুয়ারি থেকে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে গড়াবে আসরের বাকি খেলাগুলো, চলবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আবার দলগুলো ফিরে যাবে ঢাকায়।

এদিকে ইতিমধ্যে ঢাকার বিপিএলের প্রথম পর্ব শেষে অংশগ্রহণকারী সব দল চট্টগ্রাম এসে পৌঁছেছে। গত দুই দিন ধরে ঘাম ঝরানো অনুশীলন করেছে তারা। আজ শুক্রবার দ্বিতীয় পর্বের প্রথম খেলায় মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ফরচুন বরিশাল। দ্বিতীয় খেলায় অংশ নেবে খুলনা টাইগার্স ও রংপুর রাইডার্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা বিপিএলের এর আগে আটটি আসর অনুষ্ঠিত হলেও এবারের আসরটি ব্যতিক্রম। দর্শকরা এবারের অনুষ্ঠিত আসর নিয়ে হতাশ তাই আগের মতো ঢাকার স্টেডিয়ামে ভক্ত সমর্থক দেখা যায়নি। তেমনটি চট্টগ্রামেও ঘটেছে, আগে বিপিএলের দলগুলো চট্টগ্রামে খেলতে গেলে ভক্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। প্রিয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের একনজর দেখার জন্য সে কী প্রাণান্তকর চেষ্টা করতেন তারা। এবার তেমনটি ঘটেনি, একবারেই সাদামাটা ভাবেই দলগুলো অভ্যর্থনা পেয়েছে সেইখানে।

এছাড়া বিপিএলের এবারের আসর শুরু হওয়ার আগে থেকেই চলছিলো নানান সমালোচনা। দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রশ্ন তোলেন বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে। ডিআরএসের বদলে ব্যবহৃত এডিআরএস নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন ডাচ পেসার পল ফন মিকেরেনও। তবে সব কিছুর মধ্যদিয়ে ভালো মতোই শেষ হয়েছে ঢাকা আসরের ম্যাচগুলো। কিছুটা বিতর্ক তৈরি করেছে ফিল্ড আম্পায়ারের কর্মকাণ্ডে।

কিন্তু এর মধ্যেও দেশি ক্রিকেটাররা স্বস্তি খুঁজে পেয়েছে মিরপুরের উইকেট উন্নত হওয়ায়। সমালোচনায়ও যেমন ছিল সাকিব-মাশরাফি, প্রশংসায়ও ছিল দুজন একই সঙ্গে। মিরপুরের উইকেটে যেখানে রান করতেই কষ্ট হতো ব্যাটারদের, সেইখানে রীতিমতো উড়ছেন ব্যাটাররা। রানের পাহাড় গড়ছে দলগুলো তা আবার তাড়া করার চেষ্টাও করছে বিপক্ষ দল। সাকিব-মাশরাফি মিরপুরের এমন উইকেটের প্রশংসা করে পিচ কিউরেটরদের ধন্যবাদ জানান। তাদের মতে এমন উইকেট থাকলে তরুণ ব্যাটারদের উন্নতি করতে সুবিধা হবে।

অন্যদিকে ঢাকার খেলা শেষে বিপিএলের টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে মাশরাফি বিন মর্তুজার অধীনে থাকা সিলেট স্ট্রাইকার্স। তারা চার ম্যাচ খেলে চারটিতেই জয় পেয়েছে। এছাড়া রংপুর রাইডার্স, ফরচুন বরিশাল, ঢাকা ডমিনেটর্স এবং চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ২টি করে ম্যাচ খেলে ১টি তে জয় এবং ১টিতে পরাজয় নিয়ে যথারীতি তালিকার ২, ৩, ৪, ৫ নম্বরে অবস্থান করছে। এদিকে খুলনা টাইগার্স এবং গত আসরের চ্যাম্পিয়ন দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দুইটি ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরে তালিকার একেবারে তলানিতে রয়েছে।