ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির (২০২৩-২০২৪) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি–সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল)।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) রাত ১০টায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নীল প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রথমদিনের ভোটগ্রহণ শেষ হয় সন্ধ্যা ৫টায়। এ সময় ১৪টি কাউন্টারে হিসাব করে দেখা যায় মোট ৪ হাজার ২৩টি ভোট পড়েছে। তবে এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল্লাহ আবু ৫ হাজার ২৮টি ভোট পড়ার কথা জানান।
তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক কাউন্টার থেকে আলাদাভাবে ভোটের হিসাব মিলিয়ে দেখার দাবি করি। তখন নির্বাচন কমিশন সেই হিসাব দিতে রাজি হয়নি। এরপর রাতে দুই দলের বারের সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা একসঙ্গে বসে সভা করেন। এতেও নির্বাচন কমিশন ভোটের যথাযথ হিসাব দিতে রাজি হয়নি। এমনিতে সারাদিন চোখের সামনে অনেক অনিয়ম দেখেছি। এখন একদিনেই যদি এক হাজারের বেশি ভুতুড়ে ভোট পড়ে, তাহলে তো এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো অর্থ হয় না। তাই আমরা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদেরকে ভালো একটা নির্বাচনের জন্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। আমরা ধারণা করেছিলাম হয়তো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভোট হবে। কিন্তু এই প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলো।
নীল প্যানেলের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোট বর্জনের ঘোষণার পাশাপাশি সাধারণ আইনজীবীদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকতেও অনুরোধ জানান তারা।