দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষা নেই

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

দক্ষিণ পশ্চিমের জেলাগুলোতে বর্ষার আগমন কবে, তা এখনো অনিশ্চিত। আর উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তার উপর নির্ভর করছে এ অঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর আগমন। মৌসুমী বায়ু না আসা পর্যন্ত তাবদাহ অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হলে ঝড়-বৃষ্টির পর সাময়িক স্বস্তি আসবে। ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদরা বলছেন, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে কবে মৌসুমী বায়ু ঢুকবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে দেরি হবে। জুনের ৭ তারিখের মধ্যে এ অঞ্চলে মৌসুমী  বায়ু ঢুকে থাকে। কোনো বছর দু-চারদিন এদিক ওদিক হয়ে থাকে। এবার নির্ধারিত সময়ের ১২ দিন পার হলেও মৌসুমী বায়ুর দেখা নেই। যত দিন যাচ্ছে, এ অঞ্চলে বৃষ্টি ঘাটতি বাড়ছে। আমন চাষ বৃষ্টিনির্ভর। বৃষ্টির পানি না জমায় চাষিরা বীজতলা তৈরি করতে পারছে না। চাষি বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছে।  রোদ চড়লে হাঁসফাঁস ভাব সৃষ্টি হচ্ছে। দুপুর হলে রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। প্রয়োজন না হলে মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, ৬ জুন মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে ঢুকেছে। গতকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোতে বিস্তার লাভ করেছে। তবে তা দুর্বল। ফলে প্রত্যাশিত বৃষ্টি হচ্ছে না। মৌসুমী বায়ু উত্তরাঞ্চলের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। ফের পিছিয়ে গেছে।

কবে নাগাদ দক্ষিণ পশিচমাঞ্চলে বিস্তার লাভ করবে তা বলা যাচ্ছে না।  চুয়াডাঙ্গায় ছিল ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও খুলনায় ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বুধবার খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ। এতে মানুষের দেহে ঘাম ঝরছে। অস্বস্তি ভাব বিরাজ করছে। প্রাক-বর্ষার প্রভাবে বেশিমাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও কম।  হাঁসফাঁস অবস্থা কাটছে না।