রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে নালিশি দরখাস্ত আদালতে খারিজ

জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা নালিশী দরখাস্তটি বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় পটুয়াখালীর নারী শিশু ও নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ নিতাই চন্দ্র সাহা গতকাল বুধবার সেটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। 

আদালতের আদেশে বলা হয়, মামলার বাদিনীর (নাজনিন আক্তার) নালিশী দরখাস্ত, জবানবন্দি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাদিনী তার বয়স ৪৫ বছর উল্লেখ করেছেন। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৫৩ বছরের বেশি। দরখাস্তে তিনি তার প্রকৃত বয়স গোপন করেছেন। নালিশে তিনি এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করলেও তাকে আসামি/বিবাদী করেননি। কাজেই কথিত ঘটনার তারিখে বাদিনীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার কাহিনি বিশ্বাসযোগ্য নয়। বাদিনী অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণপত্রও দাখিল করেননি। মামলার বিষয় পর্যালোচনা করে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, বাদিনীর সঙ্গে বিবাদীদের জমিসংক্রান্ত বিরোধ বিদ্যমান। সার্বিক পর্যালোচনায় জমির বিরোধের কারণে বাদিনী নিজেকে কম বয়স দেখিয়ে নালিশী দরখাস্তটি দায়ের করেন।

এ বিষয়ে রুহুল আমিন হাওলাদার গতকাল বুধবার ইত্তেফাককে বলেন, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হওয়ায় আমি শুকরিয়া আদায় করছি। সত্য উন্মোচন করে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত দেওয়ায় আদালতকে অশেষ ধন্যবাদ। তবে এ ধরনের অসত্য ও সাজানো অভিযোগের মাধ্যমে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করায় অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় তা নিয়ে ইতোমধ্যেই আমার উচ্চ আদালতের আইনজীবীরা কাজ শুরু করেছেন।