পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ১৫২ নম্বর পশ্চিম চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ছাদ ভেঙে নির্মাণকাজ ফেলে রাখায় পাঠদান চলছে খোলা আকাশের নিচে। বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা না করে ছাদহীন স্কুল ভবন ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলছে পাঠদান।
এলকাবাসী জানান, ছাদ ও পলেস্তারা খসে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়টির ছাদ অপসারণ করে টিনের চালা নির্মাণে ২ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি হাফিজুর রহমান হায়দার নিজেই সংস্কারকাজ শুরু করেন। গত দেড় মাস আগে বিদ্যালয়ে পুরো ছাদ ভেঙে নির্মাণকাজ ফেলে রাখেন। এমনকি ভাঙা ছাদের মালামাল তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, স্কুল ভবনের ছাদ ভাঙার পর বিকল্প পাঠদানের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান হায়দার বলেন, ছাদ ভেঙে মালামাল বিক্রির অভিযোগ সত্যি নয়। স্কুলের ছাদ ভাঙার পর বরাদ্দের টাকা না পাওয়া ও ঝড়বৃষ্টির কারণে টিনের চালা নির্মাণে দেরি হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, ছাদটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। ছাদ ভেঙে টিনের ছাউনির কাঠামো দিয়ে সংস্কারে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। রমজান মাসের মধ্যে স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের সংস্কারের কাজ শেষ করার কথা। আগামী শনি ও রবিবার স্কুল ছুটি রেখে টিনের ছাউনির কাঠামো নির্মাণের জন্য সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।