নির্মাণাধীন পায়রা বিদ্যুেকন্দ্রে নিহত বাংলাদেশি শ্রমিক সাবিন্দ্র দাস কাজের সময় নিরাপত্তার জন্য ব্যবহূত সকল সরঞ্জাম পরিহিত ছিল। কিন্তু শেষবার তিনি সেফটি বেল্টের হুক যথাস্থানে ভুলে স্থাপন না করায় উপর থেকে পড়ে গিয়ে নিহত হন। আর শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান চীনা নাগরিক ঝাং ইয়াং ফাং। পরে তিনি মারা যান। বিদ্যুত্ বিভাগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
হতাহত এবং শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার এক ব্যাখ্যায় এ তথ্য তুলে ধরে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে দাবি করা হয়, দুই শ্রমিকের মৃত্যু এবং ১৬ জনের আহত হওয়ার পর বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
বিদ্যুত্ বিভাগ জানায়, পায়রা বিদ্যুেকন্দ্রে গত ১৭ ও ১৮ জুন যে ঘটনা ঘটেছে তা অনভিপ্রেত। এটি একটি দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় সাবিন্দ্রের মৃত্যু থেকে উত্তেজনার সূত্রপাত। পরে ১৮ জুন রাতে শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সৃষ্টি হয়। এতে ১০ জন বাঙালি এবং ৬ জন চীনা শ্রমিক আহত হন। চীনা শ্রমিক ঝাং ইয়াং ফাং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। রাতেই তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য বরিশাল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে চিকিত্সকরা তাকে বাঁচাতে পারেনি।
মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুত্ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম এবং চায়না দূতাবাসের দুইজন প্রতিনিধি।