দর্জির কাছে ব্লাউজ বানাতে দিচ্ছেন রীতিমতো মাপজোক করে, অথচ তৈরি জিনিষটি যখন হাতে আসছে, তখন দেখা যাচ্ছে সেটা ঠিকঠাক মাপের হয়নি। অথচ ঠিকঠাক সঠিক মাপের ব্লাউজ ছাড়া শাড়ি যতই সুন্দর করে গুছিয়ে পরা হোকনা কেন ঠিক যেন মানাতেই চায়না। না জেনে করা কিছু ভুল থেকে এই উটকো ঝামেলার সৃষ্টি হয়। খুবই সাধারণ এই ভুল গুলো সম্পর্কে সচেতন করেছেন পোশাক ডিজাইনার শাহনেওয়াজ পৃথিলা। চলুন জেনে নেই:
- পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শরীর ভারী হয়ে যায় আর ফুলে যায়। তাই ওই সময়ের মাপে ব্লাউজ তৈরি করলে সেটা স্বাভাবিক অবস্থায় ঢিলে হয়।
- সিল্ক এবং ভেলভেট কাপড়ের ক্ষেত্রে একটু জায়গা ছেড়ে ব্লাউজ এর মাপ দিতে হয়। যাতে প্রয়োজন হলে ঠিক করে নেওয়ার অবস্থা থাকে।
- মেয়েদের শরীরের গঠন অনুযায়ী আর্মপিট বা বগলের অংশ ঠিকঠাক বসে গেলেই পুরো ব্লাউজ শরীরে ঠিকঠাক হয়। মাপ দেয়ার সময় যেন আর্মপিটের মাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু বেশি সচেতন থাকতে হবে নিজেকেও। বেশি টাইট বা লুজ যেটাই অনুভব করবেন দর্জিকে বলবেন।
- মাপ দেওয়ার সময় ঠিক মাপের অন্তর্বাস পরে মাপ দিতে হবে। কারণ যে মাপের ব্রা পরে মাপ দিবেন দর্জি সেটাই খাতায় লিখবেন। পরে অন্য মাপের বা অন্য ধরনের অন্তর্বাস পরলে স্বভাবতই ব্লাউজ ঠিকঠাক মাপের বলে মনে হবে না।
- বোতাম লাগানো ব্লাউজের ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলা হয়। সেটা খুলে যায়, ঠিকঠাক লাগে না। তাই সাইডে চেন বা জিপ লাগিয়ে নিলে ব্লাউজের সুন্দর ডিজাইন নষ্ট হবে না। দেখতেও ভাল লাগবে আর ব্লাউজ ঠিকঠাক মাপে বসবে।