সম্প্রতি গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই সিবিএসকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেই সাক্ষাৎকারে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বাংলা শেখানো হয়নি। সে নিজে নিজেই শিখে নিয়েছে বাংলা। এজন্য তাদের কোনো প্রশিক্ষণ না দিলেও এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাবলীলভাবে বাংলা অনুবাদ করছে।
তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেমগুলো কীভাবে শিখছে এবং আচরণ করছে তা বিশেষজ্ঞদেরও অবাক করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এর (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার) একটি দিক আছে যা আমরা বুঝতে পারি না। এক্ষেত্রে আমরা সবাই এটিকে ব্ল্যাক বক্স বলে ডাকি।’
পিচাই আরও বলেন, ‘আপনি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন না। এটি কেন, কী বলছে তা আপনি ধরতে পারবেন না। বিষয়গুলো বোঝার জন্য আরও বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন।’
সিবিএসের স্কট পেলি তখন জনসাধারণের জন্য এমন একটি সিস্টেম খোলার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যেখানে এর নির্মাতারাই বুঝতে পারছে না যে তারা কী তৈরি করেছে। জবাবে পিচাই বলেন, আমি মনে করি মানুষের মন কীভাবে কাজ করে তা-ও তো আমরা পুরোপুরি বুঝি না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে কিছু স্পষ্ট ত্রুটি আছে। যেমন, ফেক নিউজ, ডিপফেকস, এমনকি এটিকে ওয়েপনাইজেশনেরও ঝুঁকি রয়েছে। বিষয়টিকে স্বীকার করেন সুন্দর পিচাইও। গুগলের বানানো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাতেও এ ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। সুন্দর পিচাই বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা কেউ এর সমাধান করতে পারেনি। সব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলেই এটি সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।’
অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বাড়ছে অসংখ্য শঙ্কা। এই শঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ওয়েবে আরও বড় সুরক্ষাস্তর তৈরি করার বিষয়ে তাগাদা দিয়েছেন সুন্দার। তিনি মনে করেন, সুরক্ষা নিশ্চিত করলে এমন কোনো ঝুঁকি বা শঙ্কা থাকবে না।