হুট করেই বাংলাদেশ জাতীয় দলে আবির্ভাব হয় তরুণ এক ব্যাটারের যার নাম আফিফ হোসেন ধ্রুব। লম্বা সময় ধরে টাইগারদের হয়ে দারুণ ছন্দেই ছিলেন তিনি। তবে হুট করে তার বেটে দেখা দেয় রানখড়া, সঙ্গে যুক্ত হয় নিজের পছন্দমতো ব্যাটিং পজিশন না পাওয়ার অসন্তোষও। সব কিছু মিলিয়ে ফর্মে না থাকায় ছিটকে পড়ে জাতীয় দলের স্কোয়াড থেকে। ফলে বাংলাদেশ দল যখন আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে সে সময় দেশের ঘরোয়া লিগে আবাহনীর হয়ে খেলছেন আফিফ। আবাহনীর কোচিং দায়িত্ব পালন করছেন খালেদ মাহমুদ সুজন ফলে খুব কাছ থেকেই আফিফকে দেখছেন তিনি। আর তাই তো তিনি গতকাল বলেই ফেললেন, আফিফের মতো খেলোয়াড় সহজে পাওয়া সম্ভব না।
গতকাল শনিবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় আফিফের প্রসঙ্গে সুজন বলেন, ‘অবশ্যই আমি সব সময় আফিফকে দেখি বাংলাদেশ দলে। আফিফের ছোটখাটো যে ভুল ত্রুটি আছে সে চেষ্টা করছে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার। এখনো সে তরুণ। তার যথেষ্ট সামর্থ্য আছে। ওর মতো খেলোয়াড় আমাদের জন্য সহজে পাওয়া সম্ভব না। যে কি না একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। আমি যদি কিছুদিন আগের কথা বলি, আফিফ-মিরাজের দারুণ এক জুটিতে আমরা আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটা কঠিন ম্যাচ জিতেছি। এই লিগেও সে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছে। হয়তোবা যে ইস্যুগুলোর কথা বললাম সেগুলো নিয়ে সে কাজ করছে এবং ভালো করছে। আমি মনে করি শেষ ম্যাচে আফিফের বিরাট অবদান ছিল, আফিফ সব সময় ভালো খেলোয়াড়।’
জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লেও আফিফকে দেওয়া হয়েছে টাইগার ‘এ’ দল সামলানোর মতো গুরুদায়িত্ব। তাকে অধিনায়ক করা হয়েছে আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ‘এ’ দলের সিরিজে। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আফিফ কি বিশ্বকাপে সুযোগ পাবেন? এ প্রসঙ্গে সুজন বলেন, ‘আমার মনে হয়, সে চিন্তা-ভাবনায় নেই; এমনটা হতেই পারে না। অবশ্যই সে আছে। দেখা যাক সামনে কী হয়। আফিফ বাংলাদেশ দলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। হয়তোবা (রানের ক্ষুধা কমে যাওয়া), কারণ যখন আপনি দলে থাকবেন তখন বুঝবেন না। আমি বিশ্বাস করি আফিফ দলে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছে। আফিফ অবশ্যই দলে ফিরবে। আর সে চিন্তা করার একটা সময়ও পেয়েছে।’