ইত্তেফাক রিপোর্ট
কাগজ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন দেশের কাগজ আমদানিকারকদের ৬টি সংগঠন। তারা বলেন, রপ্তানিকারকদের বন্ড সুবিধা অব্যাহত রেখে বাণিজ্যিকভাবে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে বিদেশি কাগজ আমদানি করার সুযোগ দিলে বন্ডের অবৈধ ব্যবহার বন্ধ ও বাজার স্থিতিশীল হবে। সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। দেশের মুদ্রণ শিল্প আরো বিকশিত হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
আমদানিকারকরা বলেন, ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্কের ফলে মুদ্রণ, প্রকাশনা ও প্যাকেজিং শিল্পের প্রধান কাঁচামাল আমদানিতে মোট করভার দাঁড়ায় ৬০ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ সময় বলা হয়, সম্প্রতি দেশে উত্পাদিত কিছু কাগজ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ অনুযায়ী রপ্তানিকৃত কাগজের মূল্য ৭০ হাজার টাকা প্রতি টন। অথচ এর চাইতে নিম্নমানের কাগজও দেশীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০-৯৫ হাজার টাকা প্রতি টন। পেপার মিলগুলো যে হারে ট্যারিফ মূল্যের ওপর ভ্যাট, ট্যাক্স প্রদান করছে আর যে দামে উত্পাদিত কাগজ বিক্রি করছে তার ব্যবধান অনেক বেশি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পেপার ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভরসা, মুদ্রণ শিল্প সমিতির চেয়ারম্যান শহীদ সেরনীয়াবাত, পেপার মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলুর রহমান পর্বত, পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিপণন সমিতির সভাপতি তোফায়েল খান, চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল এবং মেট্রোপলিটান প্রেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন খান উজ্জল প্রমুখ।