সুপারিশকৃৃৃত শিক্ষকদের বেতন হোক

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) দীর্ঘদিন পর নিবন্ধনধারীদের মেধা তালিকা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের তালিকা প্রস্তুত করেন। নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের অনলাইনের মাধ্যমে দরখাস্ত আহ্বান করে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেন এনটিআরসিএ। এই নিয়োগে ভুল-ত্রুটির কোনো সীমা নেই। ফলে নতুন শিক্ষকদের পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। এমপিও পদে দরখাস্ত করে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর দেখা যায় ননএমপিও, একটি পদের চাহিদায় তিনজনকে সুপারিশ, কমিটি নেই, কমিটি মামলায় নিয়োজিত। অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও অনেকেই সুপারিশকৃত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারেননি। তবে শেষ পর্যন্ত এনটিআরসিএ-র কঠোর সিদ্ধান্তের কারণে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এনটিআরসিএ ধন্যবাদার্হ এমন সিদ্ধান্তের জন্য। তবে ৩৯ হাজার শিক্ষকের বেতন সুসম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে এনটিআরসিএ-র সামান্য নির্দেশনা অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে। হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে মানুষ গড়ার কারিগররা। শিক্ষকেরা যদি বেতনের জন্য দৌড়ঝাঁপ কিংবা বেতনের চিন্তায় মগ্ন থাকেন, তাহলে তাঁদের পক্ষে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাদান ব্যাহত হওয়া বিচিত্র নয়। তাই ৩৯ হাজার শিক্ষকের বেতন সুসম্পন্ন করতে এনটিআরসিএ-র সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মো. আজিনুর রহমান লিমন

আছানধনী মিয়া পাড়া, চাপানী হাট,

ডিমলা, নীলফামারী