বইমেলার জন্য ঋতুরাজ ভৌমিক তখন গুডউইল ফ্যাক্টরি সিরিজের দ্বিতীয় বইটি লেখা শেষ করলেন মাত্র। এরমধ্যে ঋতুরাজের বাবা শুভাশীষকে একজন পরামর্শ দিলেন, কনিষ্ঠতম সিরিজ বই লেখক হিসেবে গিনেস বুকে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করতে। পরামর্শ শুনেই গিনেস ওয়ার্ল্ডের ওয়েবসাইট ঘেঁটে আবেদন করেন ঋতুরাজের বাবা শুভাশীষ। আবেদন চূড়ান্ত করার পর শুরু হয় বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই
বিভিন্ন ধাপ শেষে গত ১৯ এপ্রিল এলো সেই বিশেষ মাহেন্দ্রক্ষণ, রাতে শুভাশীষ মেইলে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা পান গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের, সাথে পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ সিরিজ বই লেখক (তার ছেলে ঋতুরাজ) হিসেব গিনেস বুকে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সনদপত্র।
মজার বিষয় হলো, আবেদন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন উপায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত পৃথিবীর কনিষ্ঠতম সিরিজ বই লেখক স্বীকৃতির সনদপত্র পাওয়ার আগ পর্যন্ত কিছুই জানত না ঋতুরাজ! আর ছেলের এমন অর্জনে খুবই আনন্দিত বাবা-মা।
ঋতুরাজের বাবা শুভাশীষ ছেলের এমন রেকর্ডের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইত্তেফাক প্রজন্মকে বলেন, ‘সবসময় আমি চাইতাম দেশের হয়ে কিছু করি, সে জায়গায় বাবা হয়েও আমার থেকে এগিয়ে আমার সন্তান। পৃথিবীর কনিষ্ঠতম সিরিজ বই লেখক হিসেব ঋতুরাজের নামের পাশে বাংলাদেশের নামটা গিনিস বুকের ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, বাবা-মা হিসেবে আমাদের জন্য এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়! তার এমন অর্জনের পর এত এত মানুষের শুভেচ্ছা বার্তা, আশীর্বাদ পাচ্ছি যে সত্যিই আমরা আবেগে আপ্লুত।’ বিশ্বমঞ্চে ঋতুরাজ লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবাই তাকে চেনে ‘বাপকা-বেটা’র ‘বেটা’ খুদে গায়ক ঋতুরাজ নামে। বর্তমানে ভ্রমণ নিয়ে বিভিন্ন গল্প লেখায় ব্যস্ত ঋতুরাজ।