কিশোরগঞ্জ ও মধুখালীতে ধর্ষক আটক

সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ ধর্ষকদের বাড়ি ভাঙচুর

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ঈমানেরকান্দি গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার রাতে আনোয়ার হোসেন নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করে। এছাড়া এলাকায় এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা ধর্ষকদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে।

জানা যায়, উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের ঈমানেরকান্দি গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী তার দেড় বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূ তার প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে ঘরের বাইরে যান। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা একই এলাকার মো. সালাউদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন গৃহবধূর মুখে গামছা পেঁচিয়ে পাশের একটি ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে গৃহবধূকে না পেয়ে তার মা বাইরে এলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে আহতাবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওসি (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আনোয়ার হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিকে কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, র্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ইকবালকে গ্রেফতার করেছে। তার বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার স্বল্পকমলপুর গ্রামে। গত শনিবার মধ্যরাতে গৌরীপুর উপজেলার টাঙ্গুয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

র্যাব সূত্র জানায়, আসামি ইকবাল ওই গ্রামের এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে এক রাতে প্রেমিকাকে স্বল্পকমলপুর-সাহিতপুর সড়কের পাশে একটি টিনের ঘরে নিয়ে কয়েকজন বন্ধুবান্ধব মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় মামলা হলে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পলাতক আসামি ইকবালের অবস্থান শনাক্ত এবং পরে তাকে আটক করা হয়।

মধুখালী (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মছলন্দপুর গ্রামে কাজের মেয়েকে (১১) ১ বছর যাবত্ ধর্ষণের অভিযোগে এক গৃহকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষক গৃহকর্তা আরিফ মোল্যার বিরুদ্ধে শনিবার মধুখালী থানায় মামলা করেন ওই শিশুটির মা।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে পরিবারের অভাব-অনটনের কারণে স্বামীর ভগ্নিপতি আরিফের বাসায় শিশু মেয়েকে রেখে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতে যায় স্বামী-স্ত্রী। এ সুযোগে ধর্ষক মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে ১ বছর যাবত্ মেলামেশা করে।

এ ব্যাপারে মধুখালী থানার ওসি (তদন্ত) জানান, ধর্ষককে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছি। এছাড়া ধর্ষণ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য ধর্ষিতাকে ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।