কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা কত জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

দেশের কারাগারগুলোতে বন্দি ধারণক্ষমতা, বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত বন্দির সংখ্যা, কারা চিকিত্সকের শূন্য পদ ও চিকিত্সকের সংখ্যা কত জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে আইজি প্রিজন্সকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। এছাড়া বন্দিদের চিকিত্সাসেবা নিশ্চিতে শূন্য পদে চিকিত্সক নিয়োগের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার শুনানি করেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেআরখান (রবিন) হাইকোর্টে এ রিট করেন। রিটে বলা হয়, ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি বন্দি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দেশের কারাগারগুলো। সারাদেশের কারাগারে ৩৬ হাজার ৬১৪ জন ধারণের ক্ষমতা থাকলেও কারাবন্দির সংখ্যা প্রায় ৮২ হাজার। আর যে পরিমাণ বন্দি রয়েছে সেই তুলনায় চিকিত্সক সংখ্যাও অপ্রতুল।