সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সায়ীদ আবদুল্লার বাসার সামনে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু প্রধান আসামি কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খান ও তার অনুসারী অস্ত্রধারী আবুল কালাম আজাদ ওরফে তুহিন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
অস্ত্র নিয়ে মহড়ার ঘটনায় শুক্রবার (৯ জুন) রাতে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়।
এদিকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মহড়া ও হুমকির অভিযোগে কাউন্সিলর প্রার্থী সায়ীদ আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়। রোববার (১১ জুন) রাতে বিমানবন্দর থানায় নৌকার মেয়র প্রার্থীর কর্মীকে মারধরের অভিযোগে এই মামলা করেন সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের অর্থ সম্পাদক শাহানুর আলম। মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সুদীপ দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় বলা হয়, ৬ জুন রাতে নৌকার পোস্টার নিয়ে ফেরার পথে ৩০-৪০টি মোটরসাইকেলযোগে শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করলে তখন আত্মরক্ষার্থে পালালে আসামিরা পেছনে ধাওয়া করে জালালাবাদ গলির মুখ এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
সিলেটের উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সুদীপ দাস বলেন, বিমানবন্দর থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। মামলায় বনকলাপাড়া (দিঘীরপাড়) এলাকার সাঈদ আব্দুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়।