এলাকায় গিয়ে পদ্মা সেতুর বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ

দালালচক্র রুখতে কঠোরভাবে মালিকানা যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে দিয়ে মাদারীপুর ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তারা ডিসি অফিসের পরিবর্তে ক্ষতিগ্রস্থদের এলাকায় এসে পদ্মা সেতুর বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের চেক ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আগে মাদারীপুর ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় মাসের পর মাস ঘুরেও সেখানে চেক পেতে কষ্ট হতো, সেই অফিসের বর্তমান কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্তদের এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দিয়েছেন। এটা সম্ভব হয়েছে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝোটন চন্দ্র জন্য। 

ছবি: ইত্তেফাক

সোমবার (১৯ জুন) সকালে শিবচর উপজেলায় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, পদ্মা সেতু এ্যাপ্রোচ রোড, ভূমি হুকুম দখল (পদ্মা সেতু নদী শাসন), জমি, অবকাঠামো, গাছপালা ও ফসল অধিগ্রহণের প্রায় ৩২টি চেক তুলে দেন ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে। 

এ সময় সহকারী কমিশনার ভূমি রিয়াজুর রহমান, ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা মাহবুবা ইসলাম, সার্ভেয়ার মো: শহিদুল ইসলামসহ সাংবাদিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্ত এক র‌্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোনো হয়রানি ছাড়া দ্রুত আমাদের কাজ করে দিয়েছে। শুধু আমার সঙ্গে নয়, সেবা নিতে আসা প্রতিটি মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে। এটা সম্ভব হয়েছে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝোটন চন্দ্র স্যারের জন্য।

এ বিষয়ে মাদারীপুর ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ আমরা ডিসি অফিসের পরিবর্তে ক্ষতিগ্রস্থদের এলাকায় এসে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরন করেছি। দালালমুক্ত ও হয়রানীমুক্তভাবে যাতে ক্ষতিগ্রস্থরা চেক পান তা নিশ্চিত করেছি। দালালের দৌরাত্বের কারণে অনেকে অফিস পর্যন্ত যেতেও পারে না। তাই নিজ এলাকায় বসে চেক পেয়ে ক্ষতিগ্রস্থরা খুশি হয়েছে।