এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রা, টাকাকে প্রথমবারের মতো অবাধে চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দাবির প্রতিক্রিয়ায় আসে।
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ কর্মসূচি থেকে অতিরিক্ত তহবিল আনলক করা। যদিও বাংলাদেশ খুব বেশি ঋণী নয়। দেশটি পাকিস্তান, মিশর এবং লেবাননসহ ক্রমবর্ধমান দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হয়েছে। যারা ওয়াশিংটন ভিত্তিক ঋণদাতা থেকে অর্থায়ন সুরক্ষিত করার জন্য তাদের স্থানীয় মুদ্রার ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে নিয়েছে।
নতুন বাজার-চালিত বিনিময় হার ব্যবস্থা বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন অধিকতর স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা আনবে। ব্যবসা, ব্যক্তি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিকে উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূল্যহ্রাসের উদ্বেগ সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকার মূল্য উল্লেখযোগ্য পতনের পূর্বানুমান করছে না, যা ইতিমধ্যেই এই বছর ৫%হ্রাস পেয়েছে।
এই ঘোষণার পর, টাকা মূল্য ডলারের বিপরীতে ০.৯%পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিস্তৃত সূচকটি ০.৩% পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে, যা ৭ জুনের পর থেকে সবচেয়ে বড় লাভ। এই ইতিবাচক পদক্ষেপ বাংলাদেশের রপ্তানিকে আরও আকর্ষণীয় করে বাংলাদেশের রিজার্ভকে শক্তিশালী করার জন্য একটি শিথিল মুদ্রা ব্যবস্থার সম্ভাবনাকে প্রতিফলিত করে।