পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ

ইত্তেফাক ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

রাজশাহীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই

রাজশাহীতে শুক্রবার পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। জেলার তানোর ও মোহনপুরে এসব দুুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে তানোর উপজেলার দুবইল এলাকায় সার বোঝাই একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের স্ত্রী রহিমা বেওয়া মারা যান। অন্যদিকে সকাল ৯টার দিকে মোহনপুরের কেশরহাট রায়হান কোল্ড স্টোরেজের সামনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার শিহালয় গ্রামের লালু শেখের ছেলে আকবর আলী নিহত হন।

গোদাগাড়ীতে ভটভটির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলা সদর শহিদ ফিরোজ চত্বরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই মোটরসাইকেল চালক হলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার মুরারীপুর এলাকার শামসুল হকের ছেলে রাকিব। রাজশাহী থেকে গরু ভর্তি একটি ভটভটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলো। আর শহিদ ফিরোজ চত্বর থেকে মোটরসাইকেলে ঘুরছিল রাকিব। এসময় ভটভটির ধাক্কায় রাকিব নিহত হন।

শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

বগুড়ার শেরপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শনিবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন চাটমোহর ডিগ্রি অনার্স কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারী, চাটমোহর পৌর শহরের কর্মকারপাড়ার বাসিন্দা গৌতম রঞ্জন চক্রবর্তী। শেরপুরের উত্তরা প্লাজার সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের চাপায় তিনি মারাত্মক আহত হন। প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গৌতম মারা যান।

পীরগঞ্জে মাহিন্দ্রের চাপায় বাবা নিহত, ছেলেসহ আহত দুই

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঝাড়বিশলা গ্রামে মাহিন্দ্র দুর্ঘটনায় কৃষক বাবা নিহত ও  শিশুপুত্রসহ আহত হয়েছে দুইজন। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ঝাড়বিশলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চাঁন মিয়ার কৃষক ছেলে ফারুক মিয়া তার শিশুপুত্র আব্দুল্লাহ ও ভাতিজা শিশিরকে নিয়ে জমি চাষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মাহিন্দ্র উল্টে গেলে তিনজনই চাপা পড়ে। তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কৃষক ফারুক মারা যান। তার শিশুপুত্র ও ভাতিজার অবস্থা গুরুতর বলে চিকিত্সক জানিয়েছেন।