মসলার খোঁজখবর

কোরবানির ঈদে গোশত রান্না বেশি হয়। গোশতের স্বাদ বাড়াতে মসলার জুড়ি নেই। এজন্য মসলার বাজারেও ভিড় বাড়ে। মসলা যে শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় তা-ই নয়। মসলার অনেক স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে।  ঈদ এলেই মসলার বাজার দাম বেড়ে যায়। কারণ ঈদের রান্নার জন্য মসলার চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি থাকে। মসলার দরদাম নিয়ে এবারের আয়োজন—

মরিচ গুঁড়া
আস্ত শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা। শুকনা মরিচ গুঁড়ার দাম প্রতি কেজি ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা।

হলুদ গুঁড়া
সবচেয়ে ভালো মানের খোলা হলুদ গুঁড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা।

মসলা

ধনিয়া
আস্ত ধনে পাওয়া যাবে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। আর প্রতি কেজি ধনে গুঁড়া কেনা যাবে ৩০০ টাকায়।

জিরা
মসলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত হয় জিরা। ইন্ডিয়ান পাটনাই জিরা বিক্রি হচ্ছে ৭৭০ টাকা কেজি।

কালো এলাচ
প্রতি কেজি কালো এলাচের মূল্য এক হাজার ৫০ টাকা।

দারুচিনি
প্রতি কেজি দারুচিনির দাম ৪৪০ টাকা।

মসলা

গোলমরিচ
প্রতি কেজি গোলমরিচ ৭০০ টাকা।

তেজপাতা
প্রতি কেজি তেজপাতা ২০০ টাকা।

স্টার এনিস
প্রতি কেজি স্টার এনিস এক হাজার ৪৮০ টাকা।

জয়ত্রি
প্রতি কেজি জয়ত্রি তিন হাজার ৩০০ টাকা।

লবঙ্গ
লবঙ্গের দাম একটু বেড়েছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪৮০ টাকা।

মসলা

পেঁয়াজ
পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি।

জায়ফল
জায়ফল ৯০০ টাকা কেজি।

আদা
প্রতি কেজি আদা ৪০০ টাকা।

মসলা

সাদা এলাচ
প্রতি কেজি সাদা এলাচ বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪২০ টাকা। মানে আরেকটু ভালো এলাচ পাবেন, কেজি-প্রতি দাম পড়বে দুই হাজার ৫৫০ টাকা।

টিপস
পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাটা ও গুঁড়া মসলা দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে না খাওয়াই ভালো। কারণ বাতাসের সংস্পর্শে জারিত হয়ে মসলার উপকারী উপাদানগুলো হারিয়ে যায়।