অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। ছোটপর্দায় বছরের বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকলেও চলচ্চিত্রেও কাজ করছেন নিয়মিত। চলচ্চিত্র, নাটক ও অভিনয়ের প্রসঙ্গে বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে কথা বললেন তিনি। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন নুরুল করিম
‘স্বপ্নের ঘর’ চলচ্চিত্রটির মুক্তির নতুন তারিখ ২৩ নভেম্বর। মুক্তি পেছানোর বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?
নানা জটিলতার কারণে পরিচালক ছবিটি ৯ নভেম্বর মুক্তি দিতে পারেননি। তবে আমার মতে, ভালো সিনেমার দর্শক সবসময়ই থাকে। মুক্তির তারিখ পরিবর্তন নিয়ে তাই চিন্তিত নই।
সিনেমাটিতে আপনার চরিত্র প্রসঙ্গে জানতে চাই—
‘স্বপ্নের ঘর’ সম্পূর্ণ ভৌতিক সিনেমা। দর্শকরা এ ধরনের সিনেমা আমাদের দেশে আগে কখনোই দেখেননি। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, টানটান উত্তেজনায় ঠাসা এ গল্প দর্শককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবে। চলচ্চিত্রে আমি অভিনয় করেছি মারিয়া চরিত্রে। এখন আর কিছু বলতে চাই না। তবে সিনেমাটির প্রধান আকর্ষণ এর চরিত্রগুলো। প্রতিটি চরিত্রেই রয়েছে স্বকীয়তা ও বিনোদনের রসদ। সিনেমাটির প্রতিটি চরিত্র দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি।
আপনার আরেকটি চলচ্চিত্র ‘দহন’ও মুক্তি পাচ্ছে...
হ্যাঁ, এই সিনেমা সম্পর্কে অনেকেই জানেন। সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি এই চলচ্চিত্রেও নিজেকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করতে। দহন দেখার জন্য দর্শকের মধ্যে ভীষণ আগ্রহ লক্ষ্য করছি। দর্শকদের মধ্যে এ রকম আগ্রহ তৈরি হলে নিজের কাছেও ভালো লাগে। আরো ভালোভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত হই। আস্তে আস্তে আমাদের চলচ্চিত্র এগুচ্ছে। এ রকম আরো বেশি মৌলিক গল্পের চলচ্চিত্র নির্মিত হলে পুরো ইন্ডাস্ট্রিই পাল্টে যাবে।
আপনি সারাবছরই ছোটপর্দায় ব্যস্ত থাকেন। এরমধ্যেও এ বছর তিনটি চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছে—
আমি ভালো গল্প পেলেই কাজ করি। ভালো গল্প এবং ভালো চরিত্র কোনোটিরই লোভ সামলাতে পারি না। ছোটপর্দা নিয়ে ব্যস্ততা বেশি থাকলেও ভালো চলচ্চিত্রের প্রস্তাব পেয়ে কখনো পিছপা হইনি।
বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—
কাজী সাইফ আহমেদের ‘শেষ বিকেলের কাব্য’ ও সারপ্রাইজ ডে’ এবং অঞ্জন আইচের রচনা ও পরিচালনায় ‘রুপার সমদ্র’, ‘আহা কক্সবাজার’ ও ‘ক্রমশ তোমার গল্প’ নামের ৫টি নাটকের শুটিং শেষ করলাম। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি খণ্ড ও ধারাবাহিক নাটকেও অভিনয় করেছি।