হঠাত্ করেই বলা হয় সেমিস্টার ফি দিতে, তাও আবার সময় চার দিন। যার মধ্যে শুক্র ও শনি বার। প্রকৃতপক্ষে সময় দুই দিন। কারণ শুক্র ও শনি বার বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যাংক দুটোই বন্ধ। ক্লাসের অফ টাইমেই বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ফি জমা দিতে যায়। যার ফলে তৈরি হয় দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি। কষ্ট আরো বাড়ে যখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও ফি-টা জমা দেওয়া হয়ে ওঠে না। অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস বাদ দিয়েও ফি জমা দেয় কষ্ট কিছুটা কমানোর জন্য। এভাবেই সেমিস্টার ফি দিতে হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। এখানেই শেষ না—আরো আছে সেমিস্টার ফর্মের জন্য অনুষদীয় ডিন, হল প্রভোস্ট ও টাকা দেওয়ার আগে ও পরে ক্যাশ অফিসারের স্বাক্ষরের মতো ঘটনা। এই স্বাক্ষরের জন্যও বেশ খানিকটা দৌড়াদৌড়ি করতে হয় শিক্ষার্থীদের। কিন্তু এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে না। তাই ফি প্রদানে অনলাইন সিস্টেম ও ফর্ম স্বাক্ষর শুধু ডিন অফিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা।
তানিউল করিম জীম
কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ