‘এইচআইভি রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে’

ইত্তেফাক রিপোর্ট

‘এইচআইভি পরীক্ষা করুন; নিজেকে জানুন’—প্রতিপাদ্য নিয়ে অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও পালিত হলো বিশ্ব এইডস দিবস। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উদ্যোগে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

এতে অংশ নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, এইচআইভি পরীক্ষায় লজ্জা নয়, সবক্ষেত্রেই প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও জানান, দেশে এ পর্যন্ত মোট ৫৮ জন এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মা সুস্থ সন্তান প্রসব করেছেন। স্ট্রেনদেনিং অব এইচআইভি সার্ভিসের আওতায় তারা চিকিত্সাসেবা নেন।

উপাচার্য বলেন, ১৯৮৯ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি শনাক্তের কাজ শুরু হয় এবং এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত আছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামূল্যে এআরভি (অ্যান্টিরেক্ট্রো ভাইরাল) ভ্যাকসিন প্রদান ও সব রোগের যথাযথ চিকিত্সাসেবার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৬ জন রোগী এআরভি নিয়েছেন। এ সেবাও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ শিকদার, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, বিশ্ব এইডস দিবস উদযাপন কমিটি ২০১৮-এর সভাপতি, অবস অ্যান্ড গাইনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।