স্টোকসের পর মঈনের বিদায়, স্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়া

মাত্র ৫৩ রানে চার উইকেট হারানোর পর বেন স্টোকসের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন জোস বাটলার। দুজন ৭১ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন। এরপর ফিরে যান বাটলার। তবে স্টোকস বড় ইনিংস খেলার পথে হাঁটেন।

এরপর ক্রিস ওয়েকসকে সঙ্গে নিয়ে চলতে থাকেন তিনি। ৮৯ রান করা এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান যে অসিদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে দলীয় ১৭৭ রানে স্টোকসকে বোল্ড করে অসি শিবিরে স্বস্তি ফেরান স্টার্ক। বেহরেনডর্ফের বলে মঈন আলী ফিরলে জয়ের ক্ষণগণনা করছে অস্ট্রেলিয়া। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪১ ওভারের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২০০ রান।

২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্যক্তিগত ও দলীয় রানের খাতা খোলার আগেই জেসন বেহরনডর্ফের বলে বোল্ড হয়ে যান জেমস ভিন্স। আর চতুর্থ ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন জো রুট।

দলীয় ২৬ রানে স্টার্কের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ইয়ন মরগান। রুট-মরগানের কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। এরপর কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে খেলা জনি বেয়ারস্ট ৩৯ বল থেকে ২৭ রান করে ফিরেন। দলীয় ৫৩ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তিনি।  

এর আগে আজ মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের লডসে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক শুরু করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই জুটিতে আসে ১২৩ রান। ব্যক্তিগত ৫৩ রানে মঈন আলীর বলে রুটের হাতে ক্যাচ দেন ওয়ার্নার।

এরপর উসমান খাজার সঙ্গে ফিঞ্চের ৫০ রানের জুটি আরো একধাপ এগিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। দলীয় ১৭৩ রানের মাথায় খাজাকে ফেরান বেন স্টোক। খাজা ২৩ রান করেন। দলীয় স্কোরে ১২ রান যোগ হতেই ফিরেন সেঞ্চুরিয়ান ফিঞ্চ। ১১৬ বল থেকে ১১টি চার ও দুটি ছক্কার মারে এ রান করেন তিনি।

পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্টিভ স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি করেন ৩৮ রান করে। এর মধ্যে ক্যারি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।

ইত্তেফাক/কেআই