রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনার আগে

আজকাল অনেকেরই নিজস্ব একটি গাড়ি কেনার ইচ্ছে থাকে। তবে গাড়ির দাম অনেক বেশি হওয়ায় তারা সচরাচর রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনেন। এক্ষেত্রে বাজারে বহু দোকান আছে। নির্ভরযোগ্য দোকান হলেও সব গাড়ির আউটপুট তো এক হবে না। কেনার পর তাই মেইন্টেনেন্সে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। তাই রিকন্ডিশনড গাড়ি কেনার আগে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন: 

কত পুরোনো গাড়ি কিনবেন?
প্রথম যে বিষয়টি আপনাকে বুঝতে হবে তা হলো কত পুরোনো গাড়ি কিনবেন। একটি পাঁচ বছর বয়সী গাড়ির মাইলেজ গড়ে ৬০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। একইভাবে একটি দশ বছর বয়সী গাড়ির মাইলেজ ১,২০,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ পর্যন্ত থাকতে পারে। মনে রাখতে হবে গাড়ি কোনো চিরস্থায়ী বাহন নয়। তাই নির্দিষ্ট সময়ের পর তা মেরামতের প্রয়োজন পড়ে। গাড়ির মাইলেজ যত বাড়ে, তার রক্ষণাবেক্ষণের খরচও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। তাই সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি বা রিকন্ডিশনড গাড়ি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দশ বছরের বেশি পুরোনো গাড়ি এড়িয়ে চললে ভালো হয়।

7

অকশন পেপার দেখুন
অকশন পেপার হলো এমন একটি কাগজ যেখানে গাড়ির সবকিছুর বিশদ বর্ণনা দেওয়া থাকে। গাড়ি পূর্ববর্তী সময়ে কোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে কি-না কিংবা গাড়ি কত মাইল চলেছে সবকিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ অকশন পেপারে থাকে। ফলে আপনি গাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণাই পাবেন। এখানে লুকোছুপির কোনো সুযোগই নেই। 

অকশন পেপারে লিখিত গাড়ির মাইলেজের ওপর ভিত্তি করে গাড়ির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। রিকন্ডিশনড গাড়ির মাইলেজের ওপর ভিত্তি করে দাম ওঠানামা করে। মাইলেজ কম হলে বা কম সময় রাস্তায় চললে দাম কিছুটা বেশি পড়ে। পাশাপাশি যদি মাইলেজ যদি বেশি হয় বা বেশি সময় ধরে রাস্তায় চলে, তাহলে গাড়ির দাম কিছুটা কম হয়। আর অকশন পেপার পাওয়া কঠিন কিছু না। এটি গাড়ির সঙ্গেই থাকে। গাড়ির ডকুমেন্টস পেলেই আমরা খুশি হই। সচরাচর খেয়ালও করি না সেখানে কি কি লেখা রয়েছে। 

9

মাইলেজেই নজর বেশি দেবেন
গাড়ির অকশন পেপার থাকলে প্রথমেই নজর দেবেন মাইলেজে। মাইলেজের ওপর নির্ভর করবে গাড়ির দাম। এই বাজারটি প্রতিযোগিতামূলক। আর ভালোভাবে গাড়ি যাচাই করতে না পারলে আপনার জন্য ঝামেলা আরও বাড়বে।