চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
নোয়াখালীর চৌমুহনী উপজেলায় বিদ্যুতের গ্রাহকরা অতিরিক্ত বিদ্যুত্ বিলের অভিযোগে ধরনা দিচ্ছে স্থানীয় বিদ্যুত্ অফিসে। মিটারে থাকা রিডিং থেকে বেশি রিডিং লিখে বিদ্যুতের বিল প্রস্তুতের অভিযোগ গ্রাহকদের। বিদ্যুত্ অফিসে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না গ্রাহকরা। এতে গ্রাহকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
গ্রাহকদের অভিযোগে জানা যায়, এর আগে গ্রাহকদের বিল মিটার রিডিং অনুযায়ী আসলেও হঠাত্ করে জুন মাসে অবাস্তব বিল আসতে শুরু করে। গ্রাহকের মিটারে যে রিডিং রয়েছে তার দুই থেকে ৫/৬শ রিডিং বেশি করে বিল আসতে শুরু করেছে। শত শত গ্রাহক চৌমুহনী বিদ্যুত্ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগে ভিড় করেছে।
মঙ্গলবার চৌমুহনী বিদ্যুত্ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগের দপ্তরে গেলে গ্রাহক মমিন উল্যা, আবদুল কুদ্দুস, মো. জহির, শিপন সরকার, আবদুর রহীম, সাজেদা বেগম, সালেহা বেগমসহ অনেক গ্রাহক তাদের ভূতুড়ে বিলের কথা জানান। এবং এই দপ্তরের কারো নিকট প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে চৌমুহনীস্থ বিদ্যুত্ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিলের ব্যাপারে আমরা কিছু করতে পারবো না। কারণ বিল নিয়ন্ত্রণ করে প্রাইভেট কোম্পানি স্নাপশর্ট মিটারিং প্রজেক্ট। তারাই বিলের ব্যাপারে কিছু করতে পারে।
ঐ কোম্পানির মিটার রিডার কাউসারের খোঁজ নিয়েও পাত্তা পাওয়া যায়নি। পরে ফারুক নামে একজনকে পেয়ে তাকে অতিরিক্ত বিলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, জুন টার্গেট পূরণ করার জন্য আমাদের ওপর প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। তাই অতিরিক্ত বিল করতে হয়েছে। পরের মাসের বিলে সমন্বয় করার চেষ্টা করবো।