বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে নিহত চার

ইত্তেফাক ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা): সুন্দরগঞ্জের হরিপুর ইউনিয়নের উজান তেওড়া গ্রামে বুধবার দুপুরে বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয় আরো দুইজন। নিহত বিউটি বেগম ওই গ্রামের আব্দুল হামিদের মেয়ে। ঝড়-বৃষ্টির সময় গৃহস্থালি কাজে বাড়ির উঠানে গেলে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

এছাড়া ছাপরহাটি ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামে শ্মশানের মেরামত কাজ করার সময় ওই গ্রামের ঘুটুু বর্মণের ছেলে ইমারত শ্রমিক সুনিল বর্মণ ও মৃত রবি লালের ছেলে অব. পুলিশ কর্মকর্তা মথুর লাল বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ডোমার (নীলফামারী): ডোমার উপজেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বজ্রপাতে আয়শা বেগম নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পাশের খোলা স্থান হতে গরু আনার সময় বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত আয়শা বেগম উপজেলার দক্ষিণ মটকপুর এলাকার মান্নাত হোসেনের স্ত্রী। 

পাঙ্গামটকপুর ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদুল হক এন্দা জানান, আয়শা বেগম বাড়ির পাশে খোলা জায়গা থেকে গরু আনতে যায়। এ সময় বজ্রপাতের কবলে পড়ে আহত হয়। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর: জেলার বিরল উপজেলায় মঙ্গলবার রাতে বজ্রপাতে দুইজন নিহত ও একজন আহত হয়। উপজেলার ৯ নম্বর মঙ্গলপুর ইউপির উত্তর মাধবপুর গ্রামের লক্ষ্মীরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলপুর ইউপি চেয়ারম্যান সেরাজুল ইসলাম জানান, হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের সুমন্ত চন্দ্র শীল ও নছুগ্রামের শার্নিক চন্দ্র রায় বৃষ্টির সময় লক্ষ্মীমন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নেয়। এ সময় হঠাত্ বজ্রপাতে দুজনই ঘটনাস্থলে মারা যায় এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা নছুগ্রামের রনজিত্ চন্দ্র রায় গুরুতর আহত হয়। তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।