প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন

আপনার স্বাস্থ্য এবং দৈনিক কার্যাবলীর ওপর নির্ভর করে কতটা পানি আপনার উপযুক্ত। সাধারণ অবস্থায় পুরুষের দৈনিক ৩ লিটার বা ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা দরকার। প্রতি ১৫-২০ মিনিট ব্যায়াম করার পর ১ গ্লাস পানি পান করা দরকার। প্রেগনেন্সির সময় ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা বেশি থাকে, তাই দিনে অন্তত ২.৫ লিটার বা ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। শরীরের প্রয়োজনীয় পানির ২০ শতাংশ আসে খাবারের সঙ্গে, বাকিটা পানি পান করে পূরণ করতে হবে।

পানি

পানি কেন পান করবেন

  • কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
  • হার্ট অ্যাটাকের রিস্ক কমাতে।
  • কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা কমাতে।
  • ত্বক ভালো রাখতে।
  • মেটাবলিজম বাড়াতে।
  • এনার্জি লেভেল ঠিক রাখতে।
  • গিঁটের ব্যথা কমাতে।
  • শরীর থেকে টক্সিক জাতীয় পদার্থ বের করে দিতে।
  • হাই ব্লাড প্রেসার থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

পানি কম পান করলে যা যা হতে পারে

  • পানির অভাবে ডিপ্রেশন বা ক্রনিক কেটিস সিনড্রম দেখা যেতে পারে।
  • শরীরে পানির অভাব মাইগ্রেনের একটা বড় কারণ।
  • শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হওয়া এনর্জির মাত্রা বেশ কিছুটা হ্রাস পায়।
  • হজমের জন্য পানি খুবই জরুরি, তাই কোনো শক্ত খাবারের সঙ্গে বেশ খানিকটা পানি পান করা উচিত।

পানি

  • গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসারের ব্যথা, বুকজ্বালা থেকে অনেকটা রেহাই পেতে পানি খাওয়া দরকার প্রচুর পরিমাণে।
  • পানি আমাদের ফুসফুসকে আর্দ্র করে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের আনাগোনা সহজ করে তোলে।
  • পানি আমাদের শরীরের গিঁটগুলোতে লুব্রিকেন্টের কাজ করে, বিশেষত যখন আমরা নড়াচড়া করি।
  • পানির সাহায্য নিয়ে কিডনি আমাদের শরীরের বর্জ্য ইউরিক অ্যাসিড, ইউরিয়া আর ল্যাস্টিক অ্যাসিড সরিয়ে দেয়। পানির অভাবে এসব বর্জ্য পদার্থ জমে জমে কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

গর্ভাবস্থায় বেশি পানি পান করতে হবে

  • গর্ভাবস্থায় পানির সাহায্য নিয়েই খাদ্য এবং পুষ্টি রক্তের মধ্য দিয়ে ভ্রূণের শরীরে পৌঁছায়।
  • পানিশূন্যতার জন্য ডেলিভারির সময় কনট্র্যাকশন বেশি হতে পারে এবং লেবার পেনও তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে যেতে পারে।
  • ইউটেরাসে অ্যামনিয়টিক ফ্লুইড সারা দিন ধরেই বদল হয়। সেজন্যই গর্ভাবস্থায় বেশি পানি পান করা দরকার।
  • বুকের দুধ তৈরি হওয়ার জন্যও প্রচুর পানি খেতে হবে।