ভারতের জন্য ম্যাচটা খুব জরুরি কিছু ছিল না। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেমিফাইনালের ক্ষীণ সম্ভাবনাটা টিকিয়ে রাখতে হলেও জয় দরকার ছিল। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত জয়টা তারা পেল না। ভারতের বিপক্ষে ছোট স্কোরের ম্যাচে তারা হারল ১২৫ রানে। ফলে ৭ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট দাঁড়ালো ৩। এখন বাকি দুই ম্যাচে জয় পেলেও সেমিফাইনালে যাওয়া সম্ভব নয় তাদের।
ধীরগতির উইকেটে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৬৮ রান করে ভারত। জবাবে ৩৪.২ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয়ে যায় ১৪৩ রানে।
২৬৯ রানের লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে শুরুটাই ভালো হয়নি ক্যারিবীয়দের। মাত্র ১৬ রানে হারিয়েছিল তারা ২ উইকেট; দুটি উইকেটই নেন মোহাম্মদ শামি। এরপর সুনীল অ্যাম্ব্রিস ৩১ ও নিকোলাস পুরান ২৮ রান করে প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এ দুজন ফেরার পর আর পাল্টা আক্রমণ করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ভারতের পক্ষে শামি ৪টি, বুমরাহ ও চাহাল ২টি করে উইকেট নেন।
আগে ব্যাট করা ভারতকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি রোহিত শর্মা। তিনি মাত্র ১৮ রান করে কেমার রোচের শিকার হয়ে ফিরে যান। এরপর ধীরে চললেও লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি ভালো এগোচ্ছিলেন। রাহুল ৪৮ রান করে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক হোল্ডারের বলে বোল্ড হন।
এরপর চার নম্বরে নামা বিজয় শঙ্করকে নিয়ে এগোতে চেয়েছিলেন কোহলি। কিন্তু বিজয় ও কেদার যাদব দ্রুত ফিরে আসেন। দলীয় ১৮০ রানে আউট হন কোহলিও। ততক্ষণে অবশ্য কোহলি ৭২ রান করে ফেলেছেন। ৮২ বলে ৮টি চারে সাজানো এই ইনিংস খেলে আউট হন কোহলি।
এরপর ভারতের ইনিংসটাকে টেনে নিয়ে গেছেন ধোনি ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১০ ওভারে ঠিক ৭০ রান যোগ করেন। পান্ডিয়া ৩৮ বলে ৪৬ রান করে আউট হন। এরপরও ধোনি দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। শেষ ১০ ওভারে ৮২ রান এসেছে ধোনির এই ব্যাটিংয়ের ফলে। শেষ পর্যন্ত সাবেক এই অধিনায়ক ৬১ বলে ৩টি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে কেমার রোচ ৩টি এবং কোট্রেল ও হোল্ডার ২টি করে উইকেট নেন।