সাতক্ষীরা ও নড়াইলে বজ্রপাতে ৭ জন নিহত

সাতক্ষীরা, নড়াইল ও নারায়ণগঞ্জে বজ্রপাতে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে গতকাল শুক্রবার সাতক্ষীরায় একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন মারা গেছে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর—

সাতক্ষীরা: বজ পাতে মৃতরা হলেন— কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আজিজুর রহামন জানান, উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের গড়ইমহল গ্রামের আদম আলী গাজীর ছেলে আল আমিন (২২)ও রবিউল ইসলাম (২০), আল আমিনের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (১৮)। একই উপজেলার জিয়নগর গ্রামের মুনছুর আলী গাজী (৫০) এবং আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা মাদরা গ্রামের কবির হোসেন সরদারের ছেলে জুয়েল হোসেন (২৪)। পুলিশ ও     প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে ঝড়বৃষ্টির সময় রতনপুর ইউনিয়নের গড়ইমহল গ্রামের আদম আলী গাজীর ছেলে আল আমিন ও রবিউল এবং আল আমিনের স্ত্রী সাবিনা খাতুনসহ তিনজন বিলের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় একটি টিনের ঘরের মধ্যে ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘরে বজ পাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। একই সময়ে একই ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের মুনছুর আলী গাজী একটি বিলে জমির আইল কাটছিলেন। এসময় বজ্রপাত হলে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুস সালাম জানান, বৃষ্টি শুরু হলে উপজেলার বুধহাটা মাদরা গ্রামের জুয়েল হোসেন বাড়ির পাশে একটি গোয়াল ঘরে আশ্রয় নেন। বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর গোয়াল ঘর থেকে বাইরে বের হলেই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

কালিয়া (নড়াইল): গতকাল কালিয়ায় মাছের ঘেরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো চার কৃষক। উপজেলার পৌরসভার ভক্তডাঙ্গা বিলে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন— ছোট কালিয়া গ্রামের ফুলনাথ বর্মনের ছেলে নয়ন বর্মন (২৩) ও খুলনার পাইকগাছা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের ফারুক সর্দার (২৫)।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভক্তডাঙ্গা বিলে প্রদীপ বর্মনের মাছের ঘেরে ছয়জন কৃষক কাজ করছিলো। বৃষ্টি শুরু হলে তারা ঘেরের পাড়ে থাকা ঘরে ছুটে আসার সময় বজ্রপাতে দুইজন মারা যান।

 রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ): রূপগঞ্জে উপজেলা বিশ্বরোড এলাকায় গতকাল ছাদের ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বজ্রপাতে রকি মিয়া (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। রকি মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার কফিয়াদি থানার ঘষিহাটা এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। রকি বিশ্বরোড এলাকার বাদশা মিয়ার বাড়িতে বাস করেন। তিনি উপজেলার শাহ চন্দ্রপুরী হোটেলে কাজ করেন।