অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস ও হাশিম আমলার ১৭৫ রানের পার্টনারশিপে শ্রীলঙ্কাকে ৯ উইকেটে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা। এ হারে শ্রীলঙ্কার সেমিফাইনালে খেলার আশা শেষ হয়ে গেল।
দ্বীপদেশটির এ হারে শেষ চারের লড়াই সীমাবদ্ধ হলো ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে। শ্রীলঙ্কা গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ খেলায় জিতলে আট পয়েন্ট পেয়ে ইংল্যান্ডের সাথে চতুর্থ স্থানে যোগ দিত। কিন্তু হারের কারণে তারা গড়িয়ে গেল সপ্তম স্থানে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সাত খেলা শেষে সমানসংখক পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে আছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য আগেই ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছিল।
গতকাল শুক্রবার টসে জিতে বল হাতে শ্রীলঙ্কাকে ২০৩ রানে বেঁধে রাখার পরই জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। এর পর ডু প্লেসিস ও আমলা ডারহ্যামের চেষ্টার লি স্ট্রিটে ৩৭.২ ওভারেই শেষ করে দেন খেলাটি। ডু প্লেসিস ৯৬ ও আমলা ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন জয়ের সময়।
গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট প্রোটিয়াদের এবার এটি কেবল দ্বিতীয় জয়। তাদের অপর জয়টি আসে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে।
শ্রীলঙ্কা এদিন টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার ও অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নেকে হারায়। তার পরও চেষ্টা চালিয়েছিলেন ওয়ান ডাউন অভিস্কা ফার্নান্দো (৩০) ও অপর ওপেনার কুশল পেরেরা (৩০)। কিন্তু ফার্নান্দো ও পেরেরার আউটের পর আর কোনো ব্যাটসম্যানই লড়াই চালাতে পারেননি।
ফার্নান্দো ২৯ বলে ৩০ রান করে আউট হন। প্রিটোরিয়াসের বলে ফাফ ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পেরেরার রানগুলো আসে ৩৪ বলে। দুজনের ইনিংসেই ছিল চারটি করে বাউন্ডারির মার। ১২তম ওভারেই ৭২ রানে তিন উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।
লঙ্কানদের আট ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কারোরই সংগ্রহ ৩০ ছাড়ায়নি। ব্যাটসম্যানরা বরং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট ও সাজঘরের মধ্যে আসা-যাওয়া করতে থাকেন।
শেষ পর্যন্ত ৪৯.৩ ওভারে ২০৩ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। মরিস ও প্রিটোরিয়াস তিনটি করে উইকেট নেন। রাবাদা নেন দুই উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা ৪৯.৩ ওভারে ২০৪ : (পেরেরা ৩০, অভিস্কা ৩০; প্রিটোরিয়াস ৩/২৫)।
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৭.২ ওভারে ২০৬/১ : (ডু প্লেসিস অপরাজিত ৯৬, আমলা অপরাজিত ৮০)।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস।