মুুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সকল থানা থেকে রাজাকারের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। শিগগিরই সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় সে তালিকা প্রকাশ করবে সরকার।
শুক্রবার আটঘরিয়ায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এ সময় মন্ত্রী বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে যে সব যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে তারা দেশের প্রচলিত আইনেই অপরাধী প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের রায়ের বিরোধীতা করে যারা যুদ্ধাপরাধীদের নির্দোষ দাবি করে তারা দেশের সংবিধানকে অস্বীকার করে। সরকার তাদের বিষয়ে সজাগ রয়েছে।
পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাটকো) সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, ঈশ্বরদী উপজেলা চেয়ারম্যান নুরজ্জামান বিশ্বাস, আটঘরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম, আটঘরিয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন, বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন, আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকরাম আলী।
এ সময় মন্ত্রী মোজাম্মেল হক আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। সারা দেশে সকল মুক্তিযোদ্ধার কবর একই ডিজাইনে বাঁধাই করা হবে। মাসিক ভাতার টাকা আরো বাড়বে। দুই ঈদ, পহেলা বৈশাখ ছাড়াও স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে বিশেষ বোনাস দেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের দাফনে সরকার প্রত্যেককে ১৪ হাজার টাকা করে প্রদান করবে, যা তাদের গার্ড অব অনারের পূর্বেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হবে।
এর আগে মন্ত্রী এক কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করেন।