‘ফাফদা জিলাপির লোভে পাকিস্তান দ্রুত অল-আউট হয়েছে’

চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাই প্রোফাইল ম্যাচ হিসেবে ধরা হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানের লড়াইটিকে। সেই হিসাবে ১ লাখ ৩৪ হাজার আসনের আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামও দর্শক ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। সবাই মুখিয়ে ছিল এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি দেখতে। তবে শেষ অবদি সবাইকে হতাশ হতে হয়েছে। একপেশে ভাবে ম্যাচ জিতে নেয় স্বাগতিক ভারত। কোনো রকম প্রতিরোধই গড়তে পারেননি পাকিস্তান। আর এমন ম্যাচ দেখেই প্রতিপক্ষের মজা উড়িয়েছেন ভারতীয় সাবেক ব্যাটার বীরেন্দর শেবাগ।

গত পরশু এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৪১ রানেই এক উইকেট হারায় পাকিস্তান এরপর ৮০ রানের আগে হারিয়ে ফেলে আরেক উইকেটও। তবে এরপর দলের হাল ধরেন দলের দুই সেরা ব্যাটার অধিনায়ক বাবর আজম ও উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান। তারা জুটি গড়েন ৮২ রানের। তবে এই জুটি ভাঙ্গার পরই পরবর্তী ৩৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের গোটা ইনিংস। এতে করে ৪২.৫ ওভারে ১৯১ রানে অলআউট হয়েছে বাবর আজমের দল। শেষ দিকে পাকিস্তানের এমন ব্যাটিং লাইনআপের যাওয়ায় রীতিমতো উপহাস করেছেন শেবাগ।

পাকিস্তান-ভারত মুখোমুখি হওয়ার আগ থেকেই শুরু হয় দুই দলের সাবেক খেলোয়াড়দের কথা চালাচালি। সেই ধারাবাহিকতায় ভারতীয় সাবেক ব্যাটার শেবাগ তার এক্স (সাবেক টুইটার) একাউন্টে লিখেন, ‘২ উইকেটে ১৫৫ রান তোলার পর পাকিস্তান দলের মনে পড়েছে, সন্ধ্যায় নাশতার সময় হয়ে গেছে। এ জন্য ফাফদা জিলাপি দেখে দ্রুত ১৯১ রানে অলআউট হয়ে গেছে।’ এ সময় নিজেদের সব থেকে বড় গণতান্ত্রিক উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘আমরা হলাম সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক। যে কারণে সবাই ২-২-২-২-২ উইকেট নিয়েছে।’

পাকিস্তানের অমন ব্যাটিংয়ের পর বোঝাই গেছে ম্যাচটি জিততে চলেছে ভারত। এই ব্যাটারদের মাঠে পাকিস্তানের এই রান কোনো বিপদেই ফেলতে পারবে না স্বাগতিকদের। হয়েছেও তাই রান তাড়ায় ভারত যখন বড় জয়ের পথে, তখন পাকিস্তানি সমর্থকদের আরেক বার বিদ্রূপ করেন শেবাগ। এবার লিখেন, ‘মনে হচ্ছে বড় ছেলেরা স্কুলের বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছে।’ এর আগে আরেকটি পোস্টে পাকিস্তানকে নিয়ে তিনি লিখেন, ‘আমাদের অতিথি আপ্যায়নের কথাই আলাদা। সব পাকিস্তানি ব্যাটাররা সুযোগ পেয়েছে। সবার খেয়াল রাখা হয়েছে।’