নির্বাচনের কারণে ধর্মীয় উসকানি, অবৈধ অস্ত্র ও নাশকতা রোধে আন্তঃবাহিনী সমন্বয় করে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি বলেন, জননিরাপত্তা সচিব সব বাহিনীর প্রধানদের নিয়ে এটি সমন্বয় করবেন। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে বলেও জানান আ ক ম মোজাম্মেল হক। আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তপসিল ঘোষণার পর সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মক সহায়তা করবে।
মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয় যাতে থাকে, সে জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাহিনীগুলোর এসব কাজ তিনি সমন্বয় করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরাও সেখানে থাকবেন। তাদের সঙ্গে বসে পর্যালোচনা করে কী করা যায়, সে বিষয়ে সমন্বয় করবেন। মূল দায়িত্ব তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর আছেই। বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবী কাউকে সন্দেহ হলে যে কোনো সময় মাদক শনাক্তকরণ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‘দেশের কিছু এনজিও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি’ মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারে ফেরত না যায়, এ জন্য গোপনে কিছু এনজিও কাজ করছে। তারা গুজব ছড়াচ্ছে, মিয়ানমারে ফিরে গেলে তাদের হত্যা করা হবে। বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।