কিশোরগঞ্জে স্মরণসভা

চিত্রশিল্পী এম এ কাইয়ুমের নামে একাডেমি স্থাপনের দাবি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

চিত্রশিল্পী এম এ কাইয়ুম শুধু একজন নিপুণ অংকন শিল্পীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন নকশাবিদ, প্রচ্ছদশিল্পী ও একজন ফোকলোর অন্তপ্রাণ। সবার ওপরে তিনি ছিলেন একজন ভালো মনের মানুষ। আমাদের সমাজে প্রতিবাদী মানুষের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তিনি প্রতিবাদ করতে জানতেন। তার চারিত্রিক গুণাবলীর বৈশিষ্ট্যসমূহই ফুটে উঠতো তার শিল্পকর্মে। তিনি রং-তুলির আঁচড়ে দেশের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের চিত্রই ফুটিয়ে তুলতেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের ছাত্র, বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান এম এ কাইয়ুম স্মরণে গতকাল শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তাগণ এসব কথা বলেন। তারা চিত্রশিল্পী এম এ কাইয়ুমের নামে একটি একাডেমি স্থাপন এবং পুরস্কার প্রবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। চিত্রশিল্পী এম এ কাইয়ুম স্মরণসভা কমিটি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনার শুরুতে শিল্পীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

কমিটির আহ্বায়ক আবু খালেদ পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ও লেখক ড. মোহাম্মদ আলী খান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজল, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির পরিচালক বিশিষ্ট ছড়াকার আনজীর লিটন ও কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন। স্বাগত বক্তব্য দেন স্মরণসভা কমিটির সদস্যসচিব আহমেদ উল্লাহ।

বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক প্রাণেশ কুমার চৌধুরী, অধ্যক্ষ প্রফেসর রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক খান রতন, অধ্যাপক সিদ্দিক উল্লাহ, কিশোরগঞ্জ ছড়াকার সংসদের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জাহান, সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু, আবৃত্তিশিল্পী ম ম জুয়েল, ছড়াকার বিজন কান্তি বণিক, প্রয়াত শিল্পীর পুত্র এম এ কাব্বীহ পারভেজ প্রমুখ।