বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুরমা নদীসহ হাওর গুলোতে পানি বেড়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। তবে শুক্রবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে সুরমা নদীর পানি। ড্রেনেজ সিস্টেমের বিপর্যয়ে পৌর শহরের মধ্যবর্তী এলাকার বাসিন্দারা দুর্বিষহ অবস্থায় আছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায়, পানি নিষ্কাশিত না হতে পেরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে সুরমা নদীর ষোলঘর পয়েন্ট দিয়ে পানি বিপদ সীমার ৫৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ খুশী মোহন সরকার জানান, তিন দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুরমা নদীসহ সীমান্ত নদ-নদীগুলোতে পানি বেড়েছিল তবে শুক্রবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে পানি। বৃষ্টিপাত আর না হলে নিম্নাঞ্চলের পানিও নেমে যাবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ

সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের হাতে ১০ কেজি চাল, এক কেজি করে মুড়ি, চিড়া, চিনি, টোস্ট বিস্কুট, এক ডজন মোমবাতি ও এক ডজন ম্যাচ তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন  নাহার রুমা, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা ফরিদুল হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ফাতেমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মানিক মিয়া, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকসেদ আলী, মঙ্গলকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নরুল ইসলাম, ইউপি মেম্বার মো. মোতালিবসহ প্রমুখ।