বগুড়া সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ২১ নভেম্বর যথাযথ মর্যাদা ও সম্মানের সাথে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়েছে বগুড়া সেনানিবাসে। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকালে বগুড়া সেনানিবাসে একটি মনোমুগ্ধকর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে ১৭৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল গণ্যমান্য অতিথিদেরকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার বগুড়া এরিয়া মেজর জেনারেল মো. খালেদ-আল-মামুন। 

mmmmmmmmm

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বাগত ভাষণের শুরুতেই স্মরণ করেন সর্বকালের বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং শ্রদ্ধা জানান অগণিত বীর শহিদদের ও সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয়েছে কাঙ্খিত স্বাধীনতা। বিশেষ করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বগুড়া অঞ্চলের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বগুড়া অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহিদদের প্রতি জানান বিনম্র শ্রদ্ধা। এ ছাড়াও তিনি আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানটি মহিমান্বিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় পর্যায়ে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামো নির্মাণ, আর্তমানবতার সেবা, পাবর্ত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, জঙ্গী দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশগঠনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। 

এ ছাড়াও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তিনি আরো বলেন যে, আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার সবসময় আন্তরিক রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধারা, শহিদ পরিবারের সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।