সদ্য শেষ হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের অষ্টম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষের ম্যাচ চলাকালীন হাতে চোট পান সাকিব আল হাসান। এতে করে আসরের শেষ ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরতে হয় তাকে। সে সময় জানা যায়, চোটের জন্য চলতি মাসে ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে টাইগাররা পাবে না দলের অধিনায়ককে। এবার নতুন করে শঙ্কা জেগেছে, আগামী মাসে টাইগারদের নিউজিল্যান্ড সফরেও অধিনায়ককে পাওয়ার বিষয়ে।
গতকাল বুধবার হঠাৎ করে সাকিব বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) এসেছিলেন। পরে অধিনায়কের আগমনের প্রসঙ্গে জানা যায়, পুরোনো ব্যান্ডেজ খুলে নতুন ব্যান্ডেজ নিতে এসেছিলেন তিনি। তারপর জানা গেছে, সাকিবের নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা। বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, এক্স-রে করে জানা যাবে আসল অবস্থা। বলেন, ‘আমাদের কাজ ছিল পুরোনো ব্যান্ডেজ পরিবর্তন করে দেওয়া। পরবর্তী অবস্থা বুঝতে হলে আপনাকে তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত তিন সপ্তাহ পর চেক এক্স-রে করা হয়, এখনো সেই সময় হয়নি। তিন সপ্তাহ না গেলে তো আসলে বোঝা যাবে না। তো তিন সপ্তাহ পর চেক এক্স-রে করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
এদিকে তিন সপ্তাহ পর এক্স-রে করার পর ফল পক্ষে না এলে আবারও চিকিত্সা শুরু হবে সাকিবের। এমনকি এক্স-রেতে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলেও মাঠে ফেরা হচ্ছে না তার। কারণ চোট ভালো হলে পুনর্বাসন-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে টাইগার অধিনায়ককে। যেখানে রানিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিং ও স্কিল অনুশীলন করতে হবে। তাতে করে স্ক্যানের পর মাঠে ফিরতে সাকিবের সময় লাগতে পারে আরও তিন থেকে চার সপ্তাহ। দেবাশীষ বলেন, ‘থিউরিটিক্যালি তিন থেকে চার সপ্তাহ খেলা বন্ধ রাখতে হয়। এরপর দেখা যায় আরও সময় লাগে। ফাইনাল কথা যেটা, তিন থেকে চার সপ্তাহ পর অবস্থা কেমন সেটার ওপর সব নির্ভর করবে।’