নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ও শাহদাত দিপুর ব্যাটে কিছুটা বিপর্যয় এড়ালেও দ্বিতীয় সেশনে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে নড়বড়ে অবস্থায় থেকে চা পান বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দেন দুই টাইগার ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসান। তবে দলীয় ২৯ রানে এই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ।
জাকির ২৪ বলে ৮ ও জয় ৪০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর দলীয় ৪৭ রানের মধ্যে আরও দুই ব্যাটারকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক ১০ বলে ৫ ও নাজমুল হাসান শান্ত ১৪ বলে ৯ রান করে আউট হন।
এরপর শাহদাত দিপুকে সঙ্গে নিয়ে শুরু চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর কোনো বিপদ না ঘটিয়ে প্রথম সেশন পার করে বাংলাদেশ।
বিরতি থেকে ফিরেও ব্যাট করতে থাকেন মুশফিক-দিপু। তবে ইনিংসের ৪০.৪ ওভারে অদ্ভুত এক আউট হন মুশফিক। ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ আউট হন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১তম এবং টেস্টে ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ আউট হলেন মুশফিক।
৩৫ রানে ব্যাট করছিলেন এই মুশফিক। কাইল জেমিসনের করা সেই ওভারের চতুর্থ বলটি ব্যাকফুটে খেলেছিলেন মুশফিক। বল ব্যাটে লেগে মাটিতে পড়ে বাউন্স খেয়েছিল। মুশফিক ইচ্ছাকৃতভাবে বলটি ডান হাত দিয়ে ধরেন। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা এতে ‘হ্যান্ডলড দ্য বল’ আউটের আবেদন করেন। তৃতীয় আম্পায়ার ভিডিও রিপ্লে দেখে মুশফিককে আউট ঘোষণা করেন।
মুশফিকের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন দিপু। তবে দলীয় ১২৩ রানে ১০২ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৬ বলে ৭ রান করে নুরুল হাসান সোহান ও ৪২ বলে ২০ রান করে মিরাজ সাজঘরে ফিরে যান। নাইম হাসান ১২ বলে ৪ তাইজুল ইসলাম ৫ বলে ৪ রানে অপরাজিত আছেন।