স্পোর্টস রিপোর্টার
১৯৯২ বিশ্বকাপের সাথে চলতি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের যাত্রার মিল নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান যে ৭টি ম্যাচ খেলেছে, তার প্রতিটি ধারাবাহিকভাবে ১৯৯২ সালের মতো ফলই এনেছে। এ ছাড়া সেই বছরটির সাথে রাজনৈতিক, ক্রিকেটিয় আরো অনেক মিল খুঁজে পাচ্ছে লোকজন। ফলে পাকিস্তানি সমর্থকরা মনে করছেন, ১৯৯২ সালের পর এবার আবার বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছেন তারা।
আর কিছু না হোক পাকিস্তান দলের জন্য এটা বিশাল একটা প্রেরণার ব্যাপার। কিন্তু দলটির ফাস্ট বোলার ওয়াহাব রিয়াজ বলছেন, তারা এমনিতেই যথেষ্ট অনুপ্রাণিত। তাদের অনুপ্রেরণার জন্য এই সব মিলের ঘটনার খুব একটা দরকার নেই।
পাকিস্তান এই আসরে ভারতের কাছে যখন হারে, তখন কার্যত মনে হয়েছিলো তারা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাচ্ছে। কিন্তু এরপর টানা তিন জয়ে আবার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফিরে এসেছে তারা। দলটি এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে ৪টি জয় ও ৩টি পরাজয় দেখেছে। তাদের একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেছে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে এর মধ্যে টানটান জয়ের ম্যাচে ওয়াহাব বল হাতে ২৯ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন। পরে খুব গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি রান করেছেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, ১৯৯২ সালের সাথে এসব মিল তারা খেলোয়াড়রা খেয়াল করছেন কি না।
ওয়াহাব বলেছেন, তারা এসব নিয়ে খুব একটা আলোচনা করছেন না, ‘আমরা ১৯৯২ সাল নিয়ে খুব একটা আলোচনা করছি না। আমরা বিশ্বকাপ জিততে চাই বলেই আমরা খুব অনুপ্রাণিত এবং আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। দলের সবাই শতভাগ দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে।’
৩৪ বছর বয়সী ওয়াহাব এই টুর্নামেন্টে মোহাম্মদ আমির ও শাহিন আফ্রিদির সাথে মিলে বল করছেন। তিনজনে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পেস বোলিং ইউনিট তৈরি করেছেন। শাহিন ও আমির সম্পর্কে ওয়াহাব বলছিলেন, ‘শাহিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর খুব চাপে ছিলো। এরপর দারুণভাবে ফিরে এসেছে এবং আমাদের হয়ে দারুণ সব উইকেট নিয়েছে। আমির সম্পর্কে আমরা আগে থেকেই জানি যে, সে এই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বোলার, যে দুই দিকেই বল সুইং করাতে পারে। ওকে খেলার সময় এটা ব্যাটসম্যানকে চাপে ফেলে দেয়। এখন আমাদের সমন্বয়টা খুব ভালো হচ্ছে। আমরা উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করছি। আর সেই সাথে দলকে একটা ভালো অবস্থায় রাখার চেষ্টা করছি।’